বিহারে NDA জোট বৃদ্ধির পরিকল্পনায় গেরুয়া শিবির! বিজেপিকে পূর্ব শর্ত দিল চিরাগের LJP
২০২০-র বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নীতীশ কুমারের যাত্রা ভঙ্গ করেছিলেন চিরাগ পাসোয়ান। নীতীশ কুমারের অভিযোগ ছিল বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই কাজ করেছেন চিরাগ। এখন নীতীশ কুমার এনডিএ জোট ছেড়েছেন। তাই চিরাগের সেই জোটে যোগ দিতে ব
২০২০-র বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নীতীশ কুমারের যাত্রা ভঙ্গ করেছিলেন চিরাগ পাসোয়ান। নীতীশ কুমারের অভিযোগ ছিল বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই কাজ করেছেন চিরাগ। এখন নীতীশ কুমার এনডিএ জোট ছেড়েছেন। তাই চিরাগের সেই জোটে যোগ দিতে বাধা নেই। যদিও বিজেপির ইচ্ছায় পূর্ব শর্ত দিয়েছেন চিরাগ পাসোয়ান।

বিজেপির কাছে এলজেপি(রামবিলাস) জোট গুরুত্বপূর্ণ
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বিহারে এনডি জোট ছেড়েছেন। তিনি ফিরে গিয়েছে মহাজোটে। কিন্তু বিজেপি বিহারে একা হয়ে পড়েছে। সেক্ষেত্রে খুব তাড়াতাড়ি তাদেরকে জোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেই মতো গেরুয়া শিবিরের প্রথম পছন্দর চিরাগের লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)।

চিরাগের পূর্ব শর্ত
রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগ পাসোয়ানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিহারে এনডিএ জোটে যোগ দিতে চিরাগ পাসোয়ান কিছু পূর্ব শর্ত দিয়েছেন। চিরাগ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি তাঁর কাকা পশুপতি পারসের সঙ্গে জোটে থাকতে পারবেন না। তিনি আরও বলেছেন, লোকসভা হোক কিংবা বিধানসভা বিহারের যে কোনও জোটকে তাদের ওপরে নির্ভর করতে হবে।
প্রসঙ্গত পশুপতি পারস এবং তাঁর দলের সাংসদরা এনডিএ জোটে রয়েছে। পশুপরি পারস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও বটে। ২০০০ সালে রামবিলাস পাসোয়ান এলটজেপির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরে দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে এলজেপির ছয় সাংসদের পাঁচজন চিরাগ পাসোয়ানকে সরিয়ে পশুপতি পারসকে দলের প্রধান নির্বাচিত করেন। এই মুহুর্তে নির্বাচন কমিশন দুটি ভাগকেই আলাদাভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

বিজেপি চায় দুপক্ষকেই
চিরাগ পাসোয়ান শর্ত দিয়েছেন, কাকা পশুপতি পারসকে এনডিএ থেকে বের করে দিলেই তিনি এনডিএ-তে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু বিজেপি চাইছে পারস এবং চিরাগ দু-পক্ষকেই এনডিএ ভুক্ত করে জেডিইউ-আরজেডির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধী গড়ে তুলতে। তাহলে তারা জাতের গণিতে লড়াই করতে পারবে।
বিজেপির তরফে ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে বিজেপি বিহারে পুরোপুরি একা। সেই কারণে আরজেডি এবং জেডিইউ-এর মোকাবিলা করতে নির্দিষ্ট কৌশল নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে পশুপতি পারসকে ছেড়ে দিলে চলবে না। যেহেতু বিহারের রাজনীতির পুরোটাই জাত নির্ভর, সেই কারণে বিজেপি সেখানে সহযোগীত সন্ধানে রয়েছে।

বিজেপির নজরে বিহারের ৬ শতাংশ ভোট
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি রয়েছে। তার আগেই ঘর গুছিয়ে ফেলতে চায় বিজেপি। কেননা ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিহারের ৪০ টি আস,নের মধ্যে ৩৯ টিই দখল করেছিলেন বিজেপি-জেডিইউ জোট। এই মুহূর্তে বিজেপির চ্যালেঞ্জ হল আরজেডি-জেডিইউ জোটের মোকাবিলা করা। বিজেপির লক্ষ্য হল বিহারের ৬ শতাংশ পায়োসান ভোট। এই ছয় শতাংশ ভোটের বেশিরভাগটাই পেয়ে এসেছে এলজেপি। ফলে বিজেপির লক্ষ্য গল পুরো পাসোয়ান ভোট কবজা করা। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে তারা আপাতত রাজ্য ইউনিটকে শক্তিশালী করতে চায়। আর জোটের ব্যাপারে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications