ভোটের আগে মণিপুরে BJP-NPP সংঘর্ষ, ছ'টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
ভোটের আগে মণিপুরে BJP-NPP সংঘর্ষ, ছ'টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
মণিপুর বিধানসভা নির্বাচনের আর বাকি রয়েছে ৭দিন৷ ভোটের মুখেই রাজনৈতিক হিংসায় জড়াল রাজ্যের দুটি রাজনৈতিক দল৷ শনিবার মণিপুরে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)-এর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ রাজ্যের কয়েকটি জেলায় সংঘটিত প্রাক-নির্বাচনী হিংসার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করেছে দুটি দল।

পূর্ব ইম্ফল জেলার আন্দ্রো নির্বাচনী এলাকাশ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই বিজেপি-এনপিপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। একাধিক জাতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট এই রাজনৈতিক সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছে এবং প্রায় ৬টি বাড়ি এবং ৫টি গাড়ি বেশি পরিমানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরই শনিবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং জানিয়েছেন, যে আন্দ্রো বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক-নির্বাচনের সহিংসতার তদন্ত শুরু করা হয়েছে তবে বিজেপির কোনও সমর্থক-নেতা-কর্মীর এই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে বিরোধী বিধায়ক প্রার্থীরা তাঁদের নিরাপত্তার অপব্যবহার করছেন এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য তাদের দেওয়া সশস্ত্র পুলিশদের ভুল পথে চালিত করছে! প্রসঙ্গ, শুক্রবার রাতে মণিপুরের আন্দ্রো নির্বাচনী এলাকায় হিংসা ছড়িয়ে পড়ার পর অন্তত সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছে এল. শ্যামজাই, এনপিপি প্রার্থী সঞ্জয় সিংয়ের বাবা এবং প্রাক্তন বিধায়ক ও বিজেপি প্রার্থী টি শ্যামকুমারের গাড়িচালক তাকেল্লাম্বাম থোবিমাচা রয়েছে৷ এরা দুজনেই গুলিবিদ্ধ হন। সংঘর্ষের সময় বিজেপির আন্দ্রো মণ্ডলের সভাপতি ইনচার্জ মেহৌবম বাবুর পরিবারের সদস্যরাও আহত হয়েছেন। তাদের সবাইকে ইম্ফলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এনপিপিও পদ্মব্রিগেডের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে৷ NPP নেতা সঞ্জয় সিংয়ের দাবি তাঁর বাবা নির্বাচনী এলাকায় তার বাড়ির বাইরে হাঁটার সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার এনপিপির জাতীয় সভাপতি কনরাড সাংমাও রাজ্যের প্রধান নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন। মণিপুরের ডিজিপি, পি ডুঞ্জেল, সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক হিংসায় জড়িয়ে পড়েছে৷ প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকরা যদি নির্বাচন কমিশনের নিয়মগুলি অনুসরণ করে এবং রাত ৯টার পর প্রচার বন্ধ করে তবে এই ধরনের ঘটনা এড়ানো যেতে পারে। ডিজিপি আরও বলেছেন যে রাজ্যে ৮০ শতাংশ লাইসেন্স আগ্নেয়াস্ত্র আত্মসমর্পণ করা হলেও, এখনও অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সীমান্তের ওপার থেকে রাজ্যে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আনা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications