পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে! টাকা উদ্ধারের পরেই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বিজেপি বিধায়কের
আমার এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইকে লেখা চিঠিতে এমনই দাবি করলেন কে মাদল বিরূপাক্ষপ্পার। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে পদত্যাগ করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সামনেই কর্নাটকে নির্বাচন।

আর এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সে রাজ্যে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এই অবস্থায় বিজেপি বিধায়কের বাড়ি থেকে বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
যদিও ইতিমধ্যে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এমনকি ঘটনায় যে বা যারা দোষী তাঁদের কড়া শাস্তির কথাও জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এদিন বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বলেন, কংগ্রেস আমলে লোকাযুক্তকে কার্যত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোনও ভূমিকাই ছিল না। এমনকি একাধিক মামলা ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল বলেও দাবি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে ফের একবার লোকযুক্তকে গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুধু তাই নয়, পুরানো মামলাগুলি নতুন করে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে লোকযুক্ত ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এটি একটি স্বতন্ত্র এবং নিরপেক্ষ সংস্থা। তাঁরা সমস্ত মামলার তদন্ত নিরপেক্ষা ভাবেই করে বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন বাসবরাজ বোম্মাই। সেখানে আমি কোনও প্রভাব খাটাই না বলে এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর অবস্থান। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে বিধায়কের বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৮ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিপুল পরিমাণ এই টাকা উদ্ধারে বিজেপি বিধায়ককে অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবেই দেখছেন তদন্তকারীরা। খুব শীঘ্রই তাঁকে তলব করা হবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও ইতিমধ্যে আগাম জামিন নিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন কে মাদল বিরূপাক্ষপ্পার।
অন্যদিকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করেছেন লোকযুক্ত আধিকারিকরা। আদালতে তোলা হলে তাঁকে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছেন তাঁরা।
ইতিমধ্যে বিধায়ক পুত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বিপুল পরিমাণ এই টাকার উৎস কি তা জানার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। সবটাই কি ঘুষের টাকা নাকি এর পিছনে বড় কেলেঙ্কারি আছে তাও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা।
তবে ভোটের মরশুমে বিজেপি নেতার বাড়িতে এত টাকা! সেটাই অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসকদলকে।












Click it and Unblock the Notifications