'গোটা দেশে NRC' ইস্যুতে বিজেপি পিছু হটতে শুরু করেছে! মোদী সরকার কোন পথে
এনআরসি ইস্যুতে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাপটের সঙ্গে বলেছিলেন 'গোটা দেশে এনআরসি হবে'। আর সেই অনুযায়ী বিজেপিও এনআরসি-র সমর্থনে নিজেদের পদক্ষেপ নিতে থাকে বিভিন্ন রাজ্যে।
এনআরসি ইস্যুতে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাপটের সঙ্গে বলেছিলেন 'গোটা দেশে এনআরসি হবে'। আর সেই অনুযায়ী বিজেপিও এনআরসি-র সমর্থনে নিজেদের পদক্ষেপ নিতে থাকে বিভিন্ন রাজ্যে। এরই মাঝে এসে পড়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। যা ঘিরে বাংলা থেকে দিল্লি, বেঙ্গালুরু থেকে গুয়াহাটি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এরপরই অস্বস্তিতে পরে বিজেপি পিছু হটতে শুরু হটতে শুরু করেছে বলে প্রকাশিত হয়েছে এক সর্বভারতীয় পত্রিকায়।

গ্রাউন্ড ওয়ার্ক -এ পিছিয়ে বিজেপি!
রিপোর্ট বলছে, গোটা দেশে সিএএ নিয়ে যে এমন ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হবে তা বিজেপি ধরাণাই করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে গ্রাউন্ড ওয়ার্ক-এ ঘাটতি ছিল পদ্মশিবিরের। আর তার প্রেক্ষিতেই বিজেপির ধারণা মুসলিমদের মধ্যে আতঙ্কই আসল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এনডিএ সরকারের আসন্ন পদক্ষেপে।

মোদী-শাহের আলাদা বয়ান
সংসদে অমিত শাহ বলেছিলেন, 'সারা দেশে এনআরসি হবেই'। আর তার কয়েক মাসের মধ্যেই সেই দিল্লিরই রামলীলা ময়দানে দাঁড়িয়ে মোদী বলেন, এনআরসি নিয়ে এখনই ভাবনা চিন্তা করছে না সরকার। কেবলমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে বলেই অসমে এনআরসি করতে হয়েছে বলে জানান মোদী। যে বক্তব্য আরও স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে মোদী সরকার এবার এনআরসি-র রাস্তা থেকে পিছু হটছে।

২০২১ সাল পাখির চোখ
২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট। তার আগে এনআরসি একটি বড় ইস্যু হতে চলেছে বাংলার রাজনীতিতে। ফলে বিজেপি আপাতত এনআরসি নিয়ে সেভাবে সরব না হয়ে , 'ধীরে চলো নীতি' তে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ফলে এনআরসি আপাতত গোটা দেশ হচ্ছে না বলেই ধরাণা ওয়াকিবহার মহলের।












Click it and Unblock the Notifications