কর্ণাটকে কংগ্রেসকে ধূলিস্যাৎ করল বিজেপি, আগের বারের আসন ধরে রাখার পথে জেডিএস
সব ধরনের সমালোচনাকে দূরে সরিয়ে রেখে বিএস ইয়েদুরাপ্পার নেতৃত্বে কর্ণাটক বিজয়ের পথে বিজেপি।
সব ধরনের সমালোচনাকে দূরে সরিয়ে রেখে বিএস ইয়েদুরাপ্পার নেতৃত্বে কর্ণাটক বিজয়ের পথে বিজেপি। আর পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পরে অবশেষে সরকার থেকে বিদায় নিতে চলেছে সিদ্দারামাইয়ার নেতৃত্বে কংগ্রেস। দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগে ইয়েদুরাপ্পাকে বিদ্ধ করেছিল কংগ্রেস। তবে পাল্টা কংগ্রেসের যে এভাবে মুখ পুড়বে তা বোধহয় কেউ আন্দাজ করতে পারেননি।

রাহুল গান্ধী ও সিদ্দারামাইয়া একত্রে কর্ণাটকে জোর প্রচার সেরেছিলেন। তবে সারা দেশে কংগ্রেস বিরোধী যে হাওয়া বইছে, সেই হাওয়া বয়েছে কর্ণাটকেও। যার নিট ফল, আগের বারের ১২২টি আসন থেকে সোজা সত্তরের নিচে নেমে গিয়ে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা শিবকুমার দলের হার স্বীকার করে নিয়েছেন।
এদিকে এইচডি কুমারস্বামীর জেডিএস ২০১৩ সালে ৪০টি আসন পেয়েছিল। আর এবারও ইতিমধ্যে ৩৮টি আসন পেয়ে গিয়েছে জেডিএস। কোনও কারণে বিজেপি সরকার গঠন করার মতো ১১৩টি আসন না পেলে জেডিএস-এর সাহায্য নিতে হতে পারে। তবে এখনও যা ট্রেন্ড তাতে বিজেপি জিতে যাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে।
এই নিয়ে মোট ২২টি রাজ্যে এককভাবে বা জোট করে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে। কংগ্রেসের কাছে এটি প্রেস্টিজ ফাইট ছিল। গুজরাত নির্বাচনের পর রাহুল গান্ধী দলের নেতৃত্বে আসেন। এবং বলেন, এরপর থেকে ২০১৯ বিধানসভার আগে কংগ্রেস কোনও রাজ্যে হারবে না।
তবে বেলা গড়ানোর পরই ফলাফল স্পষ্ট হয়ে যায়। দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে ভিড় হালকা হয়ে গিয়েছিল। যত সময় গিয়েছে ততই কংগ্রেস পিছিয়ে পড়েছে বিজেপির চেয়ে। এই মুহূর্তে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে কর্ণাটকে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিএস ইয়েদুরাপ্পার বিজেপি সরকার। এখন দেখার কত আসনে শেষ অবধি বিজেপি জয়ী হতে পারে। জেডিএস-এর সাহায্য প্রয়োজন হয় কিনা।












Click it and Unblock the Notifications