রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশে শক্তিক্ষয় হলেও লোকসভায় বাজিমাত করবে বিজেপিই, বলছে সমীক্ষা
মধ্যপ্রদেশে ও রাজস্থানে এবছরের শেষেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। দুই রাজ্যেই অনেক দিন হল বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বইছে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া।
মধ্যপ্রদেশে ও রাজস্থানে এবছরের শেষেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। দুই রাজ্যেই অনেক দিন হল বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বইছে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া। মধ্যপ্রদেশে ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা বিজেপির মুখ মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তবে ব্যাপক সহ একাধিক কেলেঙ্কারির ফলে শিবরাজ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছেন। যদিও প্রতিপক্ষ যারা রয়েছেন তাঁরা আরও পিছিয়ে। ফলে বিজেপির শক্তি কমলেও দুর্বল কংগ্রেস সরকার গঠন করতে পারবে একথা কেউই ভাবতে পারছেন না।

তার উপরে মায়াবতীর দল বসপা কোনওভাবেই কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপির দুর্বলতার সুযোগ হীনবল কংগ্রেস নিতে পারবে, সেই সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
এখনকার মতো পরিস্থিতিই যদি আগামী লোকসভা ভোটের সময় থাকে তাহলে রাজ্যের দুই প্রধান দল বিজেপি ও কংগ্রেসের লড়াই হলেও তা খুব বেশি হাড্ডাহাড্ডি হবে না। কংগ্রেস সুযোগ পেলেও দুর্বল সংগঠন ও সিন্ধিয়া-কমলনাথের শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব কংগ্রেসের ক্ষতি করেছে।
মধ্যপ্রদেশে মোট ২৯টি লোকসভা আসন রয়েছে। তার মধ্যে ২০১৮ সালের ভোটে বিজেপি পেতে পারে ২৩টি আসন। বাকী ৬টি পেতে পারে কংগ্রেস। বাকী কোনও দল খাতা খুলতে পারবে বলে উঠে আসেনি এবিপি নিউজ - সি ভোটারের সমীক্ষায়।
তবে ২০১৪ সালের চেয়ে কংগ্রেসের ফল ভালো ও বিজেপির খারাপ হবে। কারণ সেবছর মোদী ঝড়ে গেরুয়া শিবির ২৬টি আসন পেয়েছিল। ৩টি আসন পায় কংগ্রেস।
এদিকে রাজস্থানের দিকে তাকালে দেখা যাবে সেখানেও বিজেপির শক্তি আগের চেয়ে অনেক কমে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া বিধানসভা ভোটে জিতলেও আর সম্ভবত মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকবেন না। তাঁকে নিয়ে দলের মধ্যেই ক্ষোভ রয়েছে। এছাড়া আমজনতার ক্ষোভও রয়েছে।
তবে ঘটনা হল রাজস্থানেও বিজেপির শক্তি ক্ষয় হলেও মোট ২৫টি আসনের মধ্যে লোকসভায় অন্তত ১৮টিতে গেরুয়া শিবির জিততে পারে। কংগ্রেস পেতে পারে ৭টি আসন। ২০১৪ সালের চেয়ে এই ফলাফল বিজেপির জন্য বেশ খারাপ। তবে কংগ্রেস খুব বেশি ফায়দা তুলতে পারেনি। সেবছর সবকটি আসনই বিজেপি রাজস্থানে জিতেছিল। ভোট শেয়ার ছিল ৫৫ শতাংশ।












Click it and Unblock the Notifications