তুঙ্গে দলীয় কোন্দল! 'অভিমানী' বিপ্লবকে শান্ত করতে বিশেষ নির্দেশ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের
বিপ্লব কুমার দেব বিরোধী রব ক্রমেই বেড়ে চলেছে দলের অন্দরে। এই পরিস্থিতিতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী নিজের গ্রহণ যোগ্যতা প্রমাণ করতে ১৩ ডিসেম্বর একটি জনসভা ডেকেছিলেন আগরতলায়। আপাতত সেই জনসভা স্থগিত রাখতে বলে বিপ্লবকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে। উল্লেখ্য, বিপ্লব দেব বিরোধী রব বেশ কয়েকদিন ধরেই উঠেছে ত্রিপুরায়।

বিপ্লব বিরোধী রব
বিপ্লব বিরোধী রব উঠতে শুরু করে যখন নিজের মন্ত্রিসভা থেকে বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণকে ছাঁটাই করেন মুখ্যমন্ত্রী। সুদীপপন্থীরা এরপর থেকেই নিজেদের বিপ্লব বিরোধিতার সুর চড়া করতে থাকেন। ক্রমাগত বিজেপির অন্দরের ফাটল চলে আসে জনসমক্ষে। যার সুযোগে এবার বিরোধীরা ক্রমেই আস্থাভোটের ডাক দিতে শুরু করল।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ
এই পরিস্থিতিতে ত্রিপুরার পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত বিজেপির সচিব বিনোদ সোনকার এই বিষয়ে বলেন, 'কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বিপ্লব দেবকে বলা হয়েছে যে ১৩ ডিসেম্বরের জনসভার কোনও দরকার নেই। যদি সংগঠনে কোনও গোলমাল থাকে, তাহলে দল তা মেটাবে। ত্রিপুরার মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছে এবং মুখ্যমন্ত্রী নিজের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবেন।'

১৩ ডিসেম্বর জনসভার ডাক বিপ্লব দেবের
এর আগে বিপ্লব দেব বলেছিলেন, যদি মানুষ চায় তাহলে তিনি সরে যেতে রাজি। সেই লক্ষ্যেই ১৩ ডিসেম্বর তিনি এই জনসভার ডাক দিয়েছিলেন। বিপ্লবের ঘোষণার পরই সোনকার কথা বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। এরপরই বিপ্লব দেবকে জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত।

অধিকাংশ বিধায়ক বিপ্লব বিরোধী!
এদিকে সুদীপ রায় বর্মণপন্থী ৪ বিধায়ক ইতিমধ্যেই খোলাখুলি বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। তাঁরা গত ১৩ অক্টোবর বিজেপি প্রধান জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখাও করেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁরা জানান, ৬০ সদস্যের ত্রিপুরা বিধানসভায় ৩৬ জন বিজেপি বিধায়কের মধ্যে ২৫ জন বিজেপি বিধায়ক আপাতত বিপ্লব বিরোধী। সঙ্গে জোট শরিক আইপিএফটিও বিপ্লব বিরোধিতা করছে।












Click it and Unblock the Notifications