ত্রিপুরায় সংখ্যালঘু-ভরসায় বিজেপিও! সিপিএমকে নিশানা করে ২০২৩-এর জন্য বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের
বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় সংখ্যালঘুরা নিরাপদেই রয়েছেন। ত্রিপুরার বিশালগড়ে দলের কর্মসূচিতে এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিকের। পাশাপাশি তিনি বলেন, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে ধর্মীয় রীতিনীতির ওপরে কোনও বিধিন
বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় সংখ্যালঘুরা নিরাপদেই রয়েছেন। রাজ্যের বিশালগড়ে দলের কর্মসূচিতে এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। পাশাপাশি তিনি বলেন, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে ধর্মীয় রীতিনীতির ওপরে কোনও বিধিনিষেধ নেই।
|
সিপিএমকে নিশানা
রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় ২১ কিমি দূরে সিপাহীজলার বিশালগড়ে দলের এক কর্মসূচিতে তিনি ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তিনি রাজ্যের সিপিআইএম নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, ২০২৮-এর নির্বাচনের আগে তারা বলেছিল, বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সংখ্যালঘুরা ত্রিপুরায় নিরাপদ
সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়নের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবি করেন, সংখ্যালঘু মানুষেরা ত্রিপুরায় নিরাপদ। তাঁদের ধর্মীয় আচার-ব্যবহারের ওপরে কোনও বিধিনিষেধ নেই। প্রায় সাড়ের চার বছর আগে ২০১৮-তে সিপিএম প্রচার করেছিল বিজেপি ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সত্য কথা হল, তারা তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি মুক্তভাবেই পালন করে থাকেন। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু মানুষেরা নমাজ পড়তে কিংবা আচার পালন স্বাধীনভাবেই করে থাকেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ত্রিপুরায় পশু বলিদানেও কোনও বিধিনিষেধ নেই।
|
সরকারি প্রকল্পে গুরুত্ব
তিনি আরও দাবি করেন, সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে বিজেপি মানুষের মধ্যে কোনও বৈষম্য তৈরি করে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে উন্নয়নের ওপরে গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি জানান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে রাজ্যের জন্য মঞ্জুর হওয়া ৪ লক্ষ বাড়ির মধ্যে তিন লক্ষ তৈরি হয়ে গিয়েছে। তিনি পূর্বতন সিপিএম-এর শাসনকে নিশানা করে বলেন, ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজ্যের মাত্র ৫৮, ৮৭৪ জন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাড়ি পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাজ্যে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সংখ্যা ৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে তাদের ব্যবসায় সাহায্য করতে ঋণও দেওয়া হচ্ছে।
|
সিপাহীজলায় বিজেপি
পশ্চিম ত্রিপুরার সাংসদ স্বীকার করে নেন, ২০১৮-তে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলেও, সিপাহীজলায় তাদের ফল ভাল হয়নি। নটি আসনের মধ্যে তিনটিতে তারা জয়ী হয়। সিপিএম জয়ী হয়েছিল ৫ টি আসনে। আর বিজেপির সঙ্গী আইপিএফটি পেয়েছিল একটি আসন।
বিশালগড়ের কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবি করেন ২০২৩-এর নির্বাচনে সিপাহীজলায় বড় জয় পাবে বিজেপি, সেই জয়ে সংখ্যালঘুরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। প্রসঙ্গত ২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিমা ভৌমিক ধনপুর আসনে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মানিক ভট্টাচার্যের কাছে হেরে গিয়েছিলেন।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে












Click it and Unblock the Notifications