Maharashtra Politics: এই বছরই হবে মহারাষ্ট্রে নির্বাচন! সেনা-এনসিপিকে নিয়ে চিন্তা বাড়ছে বিজেপির
Maharashtra Politics: লোকসভা নির্বাচনের (পরেই রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে মহারাষ্ট্রে। একনাথ শিণ্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং অজিত পাওয়ারের এনসিপিকে নিয়ে চাপ বাড়ছে বিজেপির। ভোটের ফলাফলের পরেই এই জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকই হোক কিংবা আরএসএসের মুখপাত্র।
সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রে মহারাষ্ট্রের জোট (Maharashtra Politics) । বিশেষত এনসিপির প্রসঙ্গ সামনে আসছে। বিজেপির অন্দরেও এই নিয়ে জল্পনা হচ্ছে। মঙ্গলবার বিজেপির ফলাফলের কারণ খুঁজতে যে বৈঠক হয় দিল্লিতে বসেছিল, সেখানে মহারাষ্ট্রের জোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কেউ কেউ বলেন, জোট সঙ্গীদের সঙ্গে সম্পর্ক মপজবুত না হওয়াটাই খারাপ ফলাফলে অন্যতম কারণ।

এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, অক্টবর মাসে মহারাষ্ট্রে যে (Maharashtra Politics) বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা সে পর্যন্ত সবাই একসঙ্গে থাকবে কিনা। এই অবস্থায় মহারাষ্ট্রের রাজ্য সভাপতি, চন্দ্রশেখর বাওনকূলে জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও অটুট থাকবে বিজেপির সঙ্গে শিবসেনা এবং এনসিপির জোট। তিনি আরও উল্লেখ করছেন, লোকসভা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে ভুল গুলো শুধরে নেবে এই জোট।
বলা বাহুল্য, তিনটি দলেরই দ্বিতীয় সারির নেতাদের মধ্যে একেবারে প্রকাশ্যে তরজা শুরু হয়েছে। ভোটের ফলাফলের জন্য এক অপরকে দোষারোপ করতে শুরু করেছে। মহারাষ্ট্রের এই শাসক জোট লোকসভা নির্বাচনে পেয়েছে মোট ১৭ টি আসন। মহাবিকাশ আগারী অর্থাৎ উদ্ধব ঠাকরে এবং কংগ্রেস, শরদ পাওয়ার জোট পেয়েছে ৩০ টি আসন পেয়েছে। বিজেপিতে অজিত পাওয়ারের এনসিপিকে নিয়ে অসন্তুষ্ট সে প্রমাণ একাধিকবার মিলেছে। পুনেতে বিজেপি এবং আরএসএসের বৈঠকেও এনসিপির সঙ্গে আসন নিয়ে আলচনা হয়েছে।
বিজেপির একাংশ মনে করছে, এনসিপির সঙ্গে জোটে যাওয়াটাই বড় ভুল হয়ে গিয়েছে। গত সপ্তাহে আরএসএস যোগ রয়েছে এমন একটি পত্রিকায়, প্রশ্ন তোলা হয়েছে বিজেপি কেন এনসিপির সঙ্গে জোটে গিয়েছে। ওই পত্রিকায় আরও বলা হয়েছে যে, শরদ পাওয়ার আগামী কয়েকবছরের মধ্যে জাতীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন।
অন্যদিকে সুপ্রিয়া সুলে এবং অজিত পাওয়ারের দবদন দলে প্রভাব ফেলবে। এরপরেও বিজেপি কেন এমন একটা দলের সঙ্গে সমঝোতায় গেল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওই আরএসএসের ওই পত্রিকায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিরোধী জোট মহাবিকাশ আঘারি জোটের মধ্য পার্থক্য যতই থাকুক, এখনও শরদ পাওয়ারের মুখ গুরুত্বপূর্ণ। এবং যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications