উপনির্বাচনে কাজে আসবে না ধর্মীয় মেরুকরণ!বিজেপির বাংলাদেশ-কাশ্মীর তোপের পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের
উপনির্বাচনে কাজে আসবে না ধর্মীয় মেরুকরণ!বিজেপির বাংলাদেশ-কাশ্মীর তোপের পাল্টা কটাক্ষ তৃণমূলের
বাংলাদেশ নিয়ে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়ছে এবার বাংলার রাজ্য-রাজনীতিতেও। ইতিমধ্যেই উপনির্বাচনের আবহেই বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে মমতা সরকারের ভূমিকায় ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্য বিজেপি (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। বাংলাদেশের ঘটনায় অন্তর্জাতিক মহল উত্তাল হলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কেন চুপ সেই প্রশ্ন করেছেন তিনি। এবার পাল্টা কটাক্ষবান শানাতে ছাড়ছে না ঘাসফুল শিবিরও।

মোদীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
এদিকে এর আগে দলীয় মুখপত্র জাগো বাংলায় আবার বাংলাদেশ ইস্যুতে মোদীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় তৃণমূলকে। দলীয় মুখপত্রে 'বাংলাদেশের হৃদয় হতে' নামাঙ্কিত সম্পাদকীয়র শুরুতেই বলা হয় "বাংলাদেশে পুজোর সময়ে যা ঘটেছে তা অন্যায়। পরিকল্পিত চক্রান্ত। এর সঙ্গে সাধারণ হিন্দু-মুসলমানের কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু মোদী কেন এখনও এই বিষয় নিয়ে একটিও বাক্য খরচ করছেন না ?"

নোংরা রাজনীতি করছে বিজেপি, পাল্টা দাবি তৃণমূলের
এমনকী পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে ধর্মী বিভাজনে শান দিয়ে যেখানে বাংলাদেশে প্রচারে গিয়েছিলেন মোদী, সেই বাংলাদেশ নিয়েই কেন নীরব রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী? এই প্রশ্নও জোরালো ভাবে তোলা হয় তৃণমূলের তরফে। অন্যদিকে বঙ্গ বিজেপি এই ইস্যু নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে বলেও ঘাসফুল শিবিরের তরফে স্পষ্টতই অভিযোগ করা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ বাংলাদেশের হিন্দু নিগ্রহ দেখিয়ে সেই ধর্মীয় ভাবাবেগে সুড়সুড়ি দিয়ে বাংলায় হিন্দু আবেগ উস্কে ভোট টানার চেষ্টা করছে বিজেপি। অথছ আসল ঘটনার তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে না।

জোরকদমে চলছে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি
এদিকে চলতি মাসের শেষেই বাংলার চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে জোরদার প্রস্তুতি। এদিকে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচারে খামতি দিতে রাজি নয় শাসক বিরোধী কোনও পক্ষই। ইতিমধ্যেই চলে এসেছে ২৭ কোম্পানির বাহিনী। ২৩ অক্টোবরের মধ্যে আরও ৫৩ কোম্পানির বাহিনী আসবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।মোট ৮০ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে চার কেন্দ্রে।

তৃমণূলের মদতেই বাড়ছে উগ্রবাদী কার্যকলাপ, দাবি বিজেপির
এদিকে নির্বাচনের আগেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্বাচনী প্রচারে জোর দিচ্ছে বিজেপি। এমনকী অনেকক্ষেত্রেই কাশ্মীর, আফগানিস্তানে থাকা হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের নিপীড়নের তত্ত্বকে সামনে এনেও প্রচার করা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। আর এখানেই ক্ষোভ প্রকাশ করছে তৃণমূল। যদিও সেসবে তোয়াক্কা না করে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের দাবি, "হিন্দু বিদ্রোহ না হলে বাংলাও একই ধরনের হিংসার শিকার হবে"। আফগানিস্তানে তালিবান উত্থানের পর থেকেই উগ্রবাদীদের তাণ্ডব বেড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশে, কাশ্মীরে বেছে বেছে হিন্দুদের হত্যা করছে। ভাববেন না যে তারা বাংলায় সক্রিয় নেই। আমরা জানি তারা এখানে কতটা সক্রিয়। ক্ষমতাসীন তৃণমূল-কংগ্রেস শুধুমাত্র ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তাদের আশ্রয় দিচ্ছে।"












Click it and Unblock the Notifications