২০১৯-এর নির্বাচনের প্রস্তুতিতে অনেকটাই এগিয়ে মোদীর দল
সামনে গুজরাতের ভোট। কিন্তু ইতিমধ্যেই ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। বলা ভাল সভাপতি অমিত শাহ প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।
সামনে গুজরাতের ভোট। কিন্তু ইতিমধ্যেই ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। বলা ভাল সভাপতি অমিত শাহ প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। দেশের প্রত্যেকটি বিধানসভা এলাকার জন্য একজন করে সর্বক্ষণের কর্মী নিয়োগেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই প্রায় ৩২০০ সর্বক্ষণের কর্মীকে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ২,২৫০ জন ২০১৯-এর নির্বাচন পর্যন্ত কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। বাকিদের বিষয় নিয়েও কথা চলছে। তাদের কাছে সংখ্যাটা কোনও বিষয় নয়। খুব তাড়াতাড়িই সারা দেশের ৪১২০ টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য একজন করে সর্বক্ষণের কর্মী নিয়ে করা হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।
৩২০০ সর্বক্ষণের কর্মীর মধ্যে ১০০ জন মুসলিম এবং খ্রিশ্চান সম্প্রদায়ের। এবং এদের বেশির ভাগই কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি থেকে। সর্বক্ষণের এই কর্মীরা ছাড়াও রয়েছেন বুথ ভিত্তিক স্বল্প সময়ের কর্মীরা। দলীয় সূত্রে খবর, স্বল্প সময়ের স্বেচ্ছাসেবকরা ইতিমধ্যেই দেশের ১০ লক্ষ বুথের মধ্যে ৬ লক্ষ বুথে পৌঁছে গিয়েছেন।
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির বাইরে থাকতে পারবেন এমন ১৫০০ সর্বক্ষণের স্বেচ্ছাসেবকের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। বিধানসভা কেন্দ্র পিছু একজন করে সর্বক্ষণের কর্মী ছাড়াও, কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে একএকটি ক্লাস্টার গঠন করে তারও দায়িত্ব সর্বক্ষণের কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও চলছে।
বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ দলের এক যুগ্ম সম্পাদক শিবপ্রকাশকে এই সংক্রান্ত একটি জাতীয় টিমের দায়িত্ব দিয়েছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিবপ্রকাশ আদতে একজন আরএসএস কর্মী। তাকে সাহায্য করবেন অনিল জৈন, মুরলিধর রাও, বিনয় সাহস্রবুদ্ধে।
এখনও পর্যন্ত সর্বক্ষণের কর্মীদের নিয়ে বিজেপির তরফে ৪৪টি ট্রেনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর সম্প্রতি দেশ ব্যাপী বিভিন্ন রাজ্যে ভ্রমণের সময় এইসব সর্বক্ষণের কর্মীদের সঙ্গে নিজে কথা বলেছেন বিজেপির সভাপতি।












Click it and Unblock the Notifications