Sambhal Violence: সম্ভলকাণ্ডে অগ্নিশর্মা অখিলেশ, ছেড়ে কথা বলল না বিজেপিও; সরগরম লোকসভা
Akhilesh Yadav: সম্ভলকাণ্ডের (Sambhal Violence) ঝড় এবার সংসদে। মঙ্গলবার লোকসভায় এনিয়ে সরব হলেন সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। সম্ভলে মসজিদে সমীক্ষাকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও প্রশাসনকে দায়ী করলেন অখিলেশ। সপা প্রধানের সঙ্গে বিজেপি (BJP) সাংসদদের বাকবিতণ্ডায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল লোকসভা।
মুঘল আমলে নির্মিত শাহি জামা মসজিদের তলায় হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে বলে দাবি উঠেছে। সেখানে হরিহর মন্দির ছিল বলে আদালতে মামলা রুজু করেন বরিষ্ঠ আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন। গত ২৪ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয়বার সেখানে সমীক্ষা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ।

এদিন সংসদে দাঁড়িয়ে অখিলেশ সরাসরি বিজেপিকে তোপ দেগে বলেন, "সম্ভলের সৌহার্দ্যের উপর গুলি চালানো হয়েছে। এখানে বরাবর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির রয়েছে। ছক কষে তাই ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।" অখিলেশের আরও অভিযোগ,"গত ১৩ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। বিজেপি ইচ্ছে করে ২০ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেয়।"
এরপরই আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন অখিলেশ যাদব। সরাসরি বলেন, উত্তরপ্রদেশের পুলিশ (UP Police) নিজেদের বন্দুক ব্যবহার করে নিরীহদের উপর গুলি চালায়। আদালতের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনেন অখিলেশ। মুসলিম পক্ষের বক্তব্য না শুনেই আদালত শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে বলে অভিযোগ অখিলেশের।
সপা প্রধানের আরও দাবি, "২৪ তারিখ পুলিশ মসজিদে গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের সমীক্ষার বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু সার্কেল অফিসার জমায়েতের উপর লাঠিচার্জ করেন। এরপর পুলিশ গুলি চালাতে শুরু করে। ৫ জন নিরীহ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ও একাধিকজন গুরুতর জখম হন।" উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজুর দাবি তোলেন অখিলেশ।
লোকসভায় জিরো আওয়ারে অখিলেশকে এদিন বলার সুযোগ দেন স্পিকার ওম বিড়লা। অখিলেশের অলআউট আক্রমণের পর পাল্টা সরব হন বিজেপির সাংসদ কানওয়ার তানওয়ার সিং। পুলিশ নয়, বিক্ষোভকারীদের গুলিচালনায় প্রাণহানি হয়েছিল বলে দাবি করেন বিজেপি সাংসদ। পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যাননি বলেও দাবি আমরোহার সাংসদের।
বিজেপি সাংসদের আরও অভিযোগ, "সবরমতী রিপোর্টে যা দেখা গেছে, তাইই হয়েছে সম্ভলে। অখিলেশ সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা বলছেন।" এর আগে প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়, যে বুলেট ছোড়়া হয়েছিল সেই বন্দুক উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ব্যবহারই করে না। মোরাদাবাদের ডিসি জানান, গুলি কোথা থেকে চলেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিন সংসদে অধিবেশন শুরুর আগে সংসদ চত্বরে আদানি ইস্যুতে প্রতিবাদ জানায় ইন্ডি জোট। যদিও, তৃণমূলের পর মঙ্গলবার সমাজবাদী পার্টিও শরিক হওয়া সত্ত্বেও সেই কর্মসূচিতে যোগ দেয়নি। তবে কি কংগ্রেসের সঙ্গে এবার দূরত্ব বাড়ছে সপারও? এরই মাঝে মঙ্গলবার সূত্রের খবর, সম্ভলের অশান্তি কবলিত এলাকায় যেতে পারেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।












Click it and Unblock the Notifications