ত্রিপুরা বিজেপির পরিস্থিতি হিমাচলের মতো হবে না তো, অশনি সংকেত দলত্যাগের হিড়িকে
বিজেপিতে টিকিট না পেয়ে কেউ হচ্ছেন নির্দল, কেউ বিরোধী দলে নাম লেখাচ্ছেন। আবার বিধায়ককে প্রার্থী করলেও অন্যরা বেঁকে বসেছেন। শাসক দলে সিঁদুরে মেঘ ত্রিপুরায়।
বিধানসভা নির্বাচনের মুখে বিজেপি ছেড়ে বিরোধী দলে নাম লেখাচ্ছেন অনেকে, অনেকে নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই ক্ষুব্ধ বিজেপির নেতা-কর্মীরা সমান্তরাল অবস্থান নিয়েছে ত্রিপুরায়। এই পরিস্থিতিতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে- ত্রিপুরার অবস্থায় হিমাচল প্রদেশের মতো হবে না তো!

ত্রিপুরা বিজেপির পরিস্থিতি হিমাচলের মতো হয়ে যাচ্ছে
বিজেপি থেকে পদত্যাগ করে অনেকেই ঝুঁকেছেন টিপ্রামোথার দিকে। আবার অনেকে বিজেপিতে টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসেবে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। তাতে বিজেপি পড়েছে বিপাকে। বিজেপির কাছে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ত্রিপুরার নির্বাচন। ত্রিপুরার পরিস্থিতি ক্রমেই হিমাচলের মতো হয়ে যাচ্ছে।

টিকিট না পেয়ে বিজেপিতে বিদ্রোহের আগুন তীব্রতর
৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভায় এবার ৫৫ আসনে সরাসরি লড়ছে বিজেপি। বাকি পাঁচটি আসন তারা ছেড়েছে জোটসঙ্গী আইপিএফটিকে। আর বিজেপির ৫৫ জনের তালিকায় গতবারের জয়ী সাত বিধায়ককে এবার টিকিট দেয়নি বিজেপি। তাতেই বিদ্রোহের আগুন তীব্রতর হচ্ছে।

বিপ্লব দেব ছাড়া বাকিদের পদত্যাগ, জবাব বিজেপিকে
বিজেপির টিকিট না পাওয়া বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবও। কিন্তু মাঝপথে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অপসারিত হওয়া বিপ্লব দেবকে সংগঠনের কাজে লাগানোর কথা আগেই জানানো হয়েছিল। সেইসঙ্গে তিনি রাজ্যসভার সাংসদও নির্বাচিত হন। কিন্তু বাকি ৬ জন বিজেপিতে ব্রাত্য। তাঁরা পদত্যাগ করে জবাব দিলেন বিজেপিকে।

ভোটের মুখে দলত্যাগ করে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী
সোমবার মনোনয়নের শেষ দিনে দেখা গিয়েছে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক। বিজেপি বিধায়ক অতুল দেববর্মা বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে এবরা নির্বাদল প্রার্থী হয়েছে। চিঠিতে তিনি লেখেননি কেন দলত্যাগ করছেন। কিন্তু কাজে বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁর ক্ষোভ। তাঁকে না স্থান দেওয়া হয়েছে ক্যাবিনেটে, না দেওয়া হয়েছে কোনও সংগঠনিক পদ, তাই ভোটের মুখে দলত্যাগ করে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী তিনি

বহিরাগতকে প্রার্থী করায় বিজেপির বিক্ষুব্ধ প্রার্থী
বিজেপি ছেডেছেন রাজ্য কমিটির সদস্য উনাকোটি জেলার প্রাক্তন সভাপতি রঞ্জন সিনহাও। তিনিও নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। তিনি চণ্ডীপুর আসন থেকে এবার লড়বেন। জোলাইবাড়ি কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দেয়নি। আইপিএফটিকে ছেড়ে দেওয়া হয় এই আসন। এই আসনে বহিরাগতকে প্রার্থী করায় বিজেপির নেতা-কর্মীরা নির্দল হিসেবে দাঁড় করিয়েছে বিকাশ রিংয়াকে।

বর্তমান বিধায়ককে প্রার্থী করায় ইস্তফার হিড়িক
প্রার্থী তালিকায় নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ বিজেপির নেতা-কর্মীরা। গোটা রাজ্যজুড়েই বিজেপি ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছে ভোটের মুখে। যুবরাজনগরের ধর্মনগরে অনুগামীদের নিয়ে দল ছেড়েছেন যুব মোর্চা প্রেসিডেন্ট নীহারেন্দু নাথ ও তমোজিৎ নাথ। বর্তমান বিধায়ক মলিনা নাথকে প্রার্থী করায় তারা ইস্তফা দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications