গোরক্ষপুর অঞ্চলে ১১ জন বিধায়ককে টিকিট দিল না বিজেপি
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই বিধানসভা নির্বাচন৷ আর তার আগে আরও ৯১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি৷ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এই তালিকায় শিলমোহর রয়েছে খোদ যোগী আদিত্যনাথের৷ কিন্তু তার চেয়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবারের বিধানসভায় পুরনো ১১ জন বিধায়ককে টিকিট দেয়নি বিজেপি৷ এবং এই ১১জন খোদ যোগী আদিত্যনাথের গোরখপুর এলাকার বিধায়ক৷ এ নিয়ে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়েছে৷

যদিও বিজেপি সূত্রে কারণ জানানো হয়েছে যে বয়স বেড়ে যাওয়া ও শাসক-বিরোধী চাপ সহ্য করতে পারবেন না, এবার এরকম নেতা বা বিধায়কদের প্রার্থী করেনি বিজেপি৷ এবারের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন বিজেপির কাছে প্রোস্টিজ ফাইট৷ এবং এবারের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন যে অনেকাংশেই ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন জয়কে প্রভাবিত করবে তা ভালোভাবেই জানে বিজেপি। স্বাভাবিকভাবেই নিজের দলের অর্জুনদের নিয়েই লড়তে চায় বিজেপি৷
গোরখপুর অঞ্চলের ৬২টি আসনে ছয় এবং সাত দফায় (৩ মার্চ এবং ৭ মার্চ) ভোট হবে৷ এই সিটগুলির মধ্যে বিজেপি এখনও পর্যন্ত ৩৭ জন প্রার্থী ঘোষণা করেছে৷ এই ৩৭ জনের মধ্যে ৪৩% নতুন মুখ। এখনও অবধি ঘোষিত ২৯৫টি নামের মধ্যে, বিজেপি ৫৬ জন বর্তমান বিধায়ককে বাদ দিয়েছে। সিএম হিসাবে, আদিত্যনাথ বিজেপির রাজ্য নির্বাচন কমিটির সদস্য এবং প্রার্থী চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত সমস্ত সভায় যোগ দেন৷ উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি স্বাধীন দেব সিং এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য এবং দীনেশ শর্মার মতো অন্যান্য নেতার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেন প্রার্থী বাছাই নিয়ে৷
অন্যদিকে গোরখপুরের এক বিজেপি নেতা বলেছেন, আদিত্যনাথের বক্তব্য এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং নির্বাচনের জন্য দলের মুখ। ২০১৭ সালে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল যখন তিনি শুধুমাত্র একজন এমপি ছিলেন এবং সাংগঠনিক বিষয়ে সীমিত বক্তব্য রাখতেন। তখন মৌর্য ছিলেন ইউপি বিজেপির প্রধান। এবং রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুনীল বনসাল ছিলেন গোরখপুর সহ রাজ্য ইউনিটের পক্ষ থেকে মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। যদিও বিজেপি এই নেতার বক্তব্য প্রার্থি নির্বাচনের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।












Click it and Unblock the Notifications