অভিযোগ নয়, আচরণ হতে হবে শিবের মতো! মধ্যপ্রদেশে কর্নাটকের মতো বিপর্যয় রোধের মরিয়া চেষ্টা BJP-র
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানেও গেরুয়া শিবির ক্ষমতায়। তাই সেখানে যাতে কর্নাটকের মতে পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কতা অবলম্বন করা শুরু করেছে।
রাজ্যের তরুণ প্রজন্মকে কাজে লাগাতে সিনিয়র নেতাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বলেছে, শিব যেভাবে বিষ পান করেছিলেন, সেইভাবেই নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যেতে হবে। যাতে কর্নাটকের মতো পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

গত সপ্তাহে ১৪ টি রাজ্যের এবং বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের এক প্রতিনিধি দল মধ্যপ্রদেশ সফর করেন। সেখানে তারা সিনিয়র নেতাদের অভিযোগের সমাধান করতে এবং দলের কাজে রাজি করানোর চেষ্টা করেন।
মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনের এখনও ছয়মাস দেরি রয়েছে। তবে সেখানে টিকিট বিলি নিয়ে যাতে হিমাচল প্রদেশ কিংবা কর্নাটকের মতো বিদ্রোহ না হয়, তা জন্য আগেভাগেই সচেষ্ট হয়েছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাইরে কিছু না স্বীকার করলেও, মধ্যপ্রদেশেও কর্নাটকের মতো পরিস্থিতি তৈরির ইঙ্গিত পেয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিজেপির নেতারা ইতিমধ্যে কংগ্রেসে যেতে শুরু করে দিয়েছেন। তিনবারের বিজেপি বিধায়ক দেশরাজ সিং যাদবের ছেলে যাদবেন্দ্র সিং যাগব কংগ্রেস যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেস যাদবেন্দ্রকে গোয়ালিয়রের মুঙ্গাওলি কেন্দ্র থেকে টিকিট দিতে চায় বপলে সূত্রের খবর। যেখানে বিজেপির বিধায়ক একজন প্রাক্তন কংগ্রেসী এবং জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার অনুগত।
অন্যদিকে খারগোনের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ মাখন সিং সোলাঙ্রি কংগ্রেস যোগ দিয়েছেন। প্রাক্তন কংগ্রেসী মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং এই দলবদলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর। একের পর এই ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে গেরুয়া শিবিরে।

৮-১৬ এপ্রিল রাজ্য ভ্রমণে যাওয়া বিজেপির নেতারা তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছেন জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ। এরপর মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও করেছে গেরুয়া শিবির।
প্রসঙ্গত ২০১৯ থেকে বিজেপির নীতি হল তরুণ প্রজন্মকে সামনের সারিতে নিয়ে যাওয়া এবং বয়স ও অভিজ্ঞতা ছাড়াও টিকিটের দেওয়ার সময় তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে, যিনি জয়ের মাপকাঠিতে এগিয়ে রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় নেতা নরেন্দ্র সিং তোমার ভোপালে রাজ্য বিজেপির সিনিয়র নেতাদের বলেছেন, শিবের মতো বিষ পান করে যেতে হবে, কিন্তু কোনও অভিযোগ করা যাবে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি নেতা দলে সিনিয়র নেতাদের জন বিচ্ছিন্নতা এবং সরকার পরিচালনায় আমলাতন্ত্রের অভিযোগ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications