কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রীর জেলায় হার বিজেপির, গেরুয়া শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্বে আসন ছিনিয়ে নিল কংগ্রেস
কর্নাটকে (karnataka) উপনির্বাচনে (by election) বিজেপি (bjp) বড় ধাক্কা খেয়েছে কংগ্রেসের (congress) কাছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাইয়ের নিজের জেলা হাভেরিতে তারা হেরে গিয়েছে। তবে গেরুয়া শিবির সিংডি আসনে জয়লাভ করেছে।
কর্নাটকে (karnataka) উপনির্বাচনে (by election) বিজেপি (bjp) বড় ধাক্কা খেয়েছে কংগ্রেসের (congress) কাছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাইয়ের নিজের জেলা হাভেরিতে তারা হেরে গিয়েছে। তবে গেরুয়া শিবির সিংডি আসনে জয়লাভ করেছে। দলের প্রার্থী রমেশ ভূসানুর ৩১,১৮৫ ভোটে নিকটবর্তী কংগ্রেস প্রার্থী অশোক মানাগুলিকে পরাস্ত করেছেন। বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ৯৩,৮৬৫ ভোট অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছেন ৬২,৬৮০ ভোট।

মুখ্যমন্ত্রীর জেলায় হার বিজেপি প্রার্থীর
কংগ্রেস প্রার্থী শ্রীনিবাস মানে হানাগল কেন্দ্রে ৭৩৭৩ ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছেন ৮৭৪৯০ ভোট, অন্যদিকে বিজেপির শিবরাজ সাজ্জানার পেয়েছেন ৮০,১১৭ ভোট। হাঙ্গল কেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রী বোম্বাইয়ের জেলায়। কর্নাটকে বোম্মাই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, সবে ১০০ দিন হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী চেষ্টার কসুর করেননি
প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাই হানাগলে ক্যাম্প করেছিলেন, বিজেপি প্রার্থীকে জেতাতে। বিজেপির আশা ছিল কম ব্যবধান হলেও দলের প্রার্থী ওই কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করবে, কেননা কংগ্রেস প্রার্থী এলাকায় জনপ্রিয়। যদিও মঙ্গলবারের ফলাফল মুখ্যমন্ত্রীর শিবিরকে ধাক্কা দিল বলেই মনে করছে সেখানকার রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে দলেই তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী এই ফলাফলে উল্লসিত বলেই স্থানীয় সূত্রে খবর।

দুই আসনেই জেডিএস প্রার্থী তৃতীয়
কর্নাটকের দুই আসনেই ডেজিএস প্রার্থী তৃতীয় হয়েছেন। সিংডিতে নাজিয়া সাকিল এবং হানাগলে নিয়াজ শেখ যথাক্রমে ৪৩৫৩ এবং ৯২৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। দুই কেন্দ্রে বিধায়কের মৃত্যুতে উপনির্বাচন জরুরি হয়ে পড়েছিল। প্রসঙ্গত সিংডি আসনটি জেডিএস-এর এমসি মানাগুলি এবং হানাগল বিজেপির সিএম উদাসীর দখলে ছিল।

বিজেপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব
হানাগল কেন্দ্রটি আগের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরিয়াপ্পার কেন্দ্রের সংলগ্ন। ইয়েদুরিয়াপ্পাকে হঠাৎ করেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা এই ফলাফলের ওপরে প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। ইয়েদুরিয়াপ্পা সেখানে প্রচার করলেও, ততটা ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রচার করেননি। পাশাপাশি আরও এক মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ সেট্টারও প্রচারে সক্রিয় ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। বিজেপি প্রার্থী হারা পিছনে লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও কাজ করেছে। এই হারে একদিকে যেমন মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাইয়ের ওপরে দলের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক চাপ বাড়বে, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারানো ইয়েদুরিয়াপ্পাও ছেড়ে কথা বলবেন না।

হেরেছে কংগ্রেসও
অন্যদিকে বিরোধী কংগ্রেস বিরোধী নেতা সিদ্দারামাইয়া এবং রাজ্য সভাপতি ডিকে শিবকুমার প্রচার চালিয়েছেন সংঘবদ্ধ ভাবে, একেবারে শেষ দিন পর্যন্ত। পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থীর নিজের জনপ্রিয়তা এই জয়ে কাজ করেছে বলেও মনে করছে রাজনৈতিক মহল। হানাগলে কংগ্রেসের জয় সারা রাজ্যে কংগ্রেস কর্মীদের উজ্জীবিত করবে বলেই মনে করছে সেখানকার কংগ্রেস শিবির। তবে বিজাপুর জেলায় সিংডিতে হারও কংগ্রেসের শিবিরে ধাক্কা বলে মনে করছেন কেউ কেউ।












Click it and Unblock the Notifications