খোদ প্রার্থীই সরে দাঁড়ালেন নির্বাচনী লড়াই থেকে, নির্বাচনের আগেই ব্যাকফুটে বিজেপি
খোদ প্রার্থীই সরে দাঁড়ালেন নির্বাচনী লড়াই থেকে। বাংলার পর ত্রিপুরাতেও প্রার্থী ঘোষণা করে মুখ পুড়়ল বিজেপির।
নির্বাচনের আগেই ফের বড়সড় ধাক্কা খেল বিজেপি। খোদ প্রার্থীই সরে দাঁড়ালেন নির্বাচনী লড়াই থেকে। বাংলার পর ত্রিপুরাতেও মুখ পুড়়ল বিজেপির। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতা জেপি নাড্ডা প্রার্থী ঘোষণার পর ঘোষিত প্রার্থী সুবল ভৌমিক নিজেই জানিয়ে দিলেন তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়বেন না। আর এই ঘোষণায় নির্বাচনের আগেই ব্যাকফুটে বিজেপি।

নির্বাচনে অংশ না নিয়েই ত্রিপুরা বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল হয়েছিল বিজেপি। তারপর থেকেই কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙিয়ে বিজেপি এখন ত্রিপুরা জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মনে করছে, তাঁরা ২৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটাতে পারবে। সেইমতোই এবার বিধানসভার লড়াইয়ে সিপিএম তথা বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে আসরে নামে বিজেপি।
কিন্তু বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রবলভাবে থেকেও হঠাৎ ব্যাকফুটে চলে গেল কেন? বাংলার বুকে নোয়াপাড়া উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মঞ্জু বসুকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা বিজেপি চরম বিপাকে পড়ে। প্রার্থী স্বয়ং জানিয়ে দেন তিনি বিজেপির টিকিটে লড়ছেন না। এবার প্রায় একইরকম ঘটনা ঘটল ত্রিপুরাতেও।
এর আগে কংগ্রেসের টিকিটে সোনামুড়া কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন সুবল ভৌমিক। সিপিএমের শ্যামল চক্রবর্তীর কাছে তিনি হেরেছিলেন মাত্র ১৫২৬ ভোটে। এবার ওই একই আসলে তাঁর নাম বিজেপি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। তারপর সুবলবাবু জানান, তিনি ওই আসনে বিজেপির টিকিটে লড়বেন না। তখনই প্রশ্ন ওঠে কেন এমন সিদ্ধান্ত তাঁর। তবে কি বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের জন্য এই সিদ্ধান্ত নিলেন কংগ্রেস ত্যাগী ওই বিজেপি নেতা?
বিজেপি এ ব্যাপারে স্পিকটি নট। নেতৃত্ব মুখে কুলুপ এঁটেছে। সূত্রের খবর, তিনি দলের একাংশের অতি সক্রিয়তা মেনে নিতে পারছেন না। সুবলবাবু অবশ্য জানান, আমি ওই কেন্দ্র থেকে লড়াই করতে চাই না, আগেই জানিয়েছিলাম দলীয় নেতৃত্বকে। তবু ওই আসনে প্রার্থী করায় তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন লড়াই থেকে। কেন এই কাজ করা হল, তার জবাবও চান তিনি।
বিজেপি মনে করেছিল, সুবল ভৌমিক কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রবলভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বেন সিপিএম প্রার্থীকে হারানোর জন্য। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে এখন বিজেপিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিলেন তিনি। এই অবস্থা থেকে বিজেপি কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে।
[আরও পড়ুন:ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি, মুকুলের দলত্যাগ নিয়েও খোঁচা মমতাকে]












Click it and Unblock the Notifications