রাজস্থান যুদ্ধ জয়ে দলের দুই 'তুরুপের তাস'-কে নামাচ্ছে বিজেপি
রাজস্থানে দলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
রাজস্থানে এবার পালাবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়ার প্রতি মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। এমনই খবর রটে গিয়েছে। এমনকী দলের একটা অংশের নেতা-কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে চলে গিয়েছেন বলে খবর। এই অবস্থায় রাজস্থান জয়ে বড় বেগ পেতে হবে বিজেপিকে। এমনই মনে করা হচ্ছে। সেটা যে সঠিক তা ভালো বুঝতে পেরেছে বিজেপিও। ফলে দলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ক্ষোভ বসুন্ধরাকে নিয়ে
রাজস্থানে বিজেপি বিরোধী হাওয়া যত না বইছে, তার থেকেও বেশি মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াকে নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। আর সেই ক্ষোভের আগুনই তছনছ করে দিতে পারে বিজেপির স্বপ্ন। এমনই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যা নিয়ে সতর্ক গেরুয়া শিবিরই।

মোক্ষম অস্ত্রের প্রয়োগ
তাই দলের দুই তুরুপের তাসকে ভোটের প্রচারের মুখ করে বিজেপি রাজস্থানে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চাইছে। বিজেপি হাইকম্যান্ডের স্ট্র্যাটেজিও তাই। আর সেই দুই নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

ত্রাতা মোদীই
২০১৪ লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে দলের রক্ষাকর্তা হিসাবে একের পর এক জায়গায় অবতীর্ণ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। মোদী ম্যাজিকে ভর করেই একেরপর এক রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। তাই রাজস্থানে দুঃসময়েও তিনিই সবচেয়ে বড় ভরসা সন্দেহ নেই।

প্রচারে নামছেন মোদী
রাজস্থানের ভোটের রণকৌশল নিয়ে দিল্লিতে চূড়ান্ত আলোচনায় বসছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের পর থেকে একেরপর এক সভা করবেন রাজস্থানে। মোদী ম্যাজিক রাজস্থানে বিজেপির ঝুলি ভরাবে বলেই মনে করছে দল।

ভরসা যোগীতেও
পাশাপাশি ভরসা রাখা হয়েছে আরও একজনের ওপরে। ২০১৬ সালে উত্তরপ্রদেশের ভোট পরবর্তী সময়ে যোগী আদিত্যনাথকে প্রচারে পাওয়ার জন্য সব জায়গায় প্রবল চাহিদা থেকেছে। তিনি প্রচারে নামলে বিজেপি কর্মীরা অতিরিক্ত উত্তেজনা অনুভব করেন। তাছাড়া রাজস্থানের বহু মানুষ গোরক্ষনাথ মঠে আস্থা রাখেন। ফলে যোগীর ওপরেও তাদের অগাধ আস্থা। তাই এই দুই মোক্ষম খেলোয়াড়কে ভোটের ময়দানে নামিয়ে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications