Grand alliance in trouble: শিবসেনার পর এনসিপিতে ফাটল ধরাল বিজেপি, ২ বছরে ২ স্ট্রাইকে ব্যাকফুটে মহাজোট
২ বছরে ২ স্ট্রাইক। বিজেপির থাবায় মহারাষ্ট্রে ব্যাকফুটে মহাজোট। প্রথমে শিবসেনার আড়াআড়ি বিভাজন। তারপর এক বছর যেতে না যেতেই দ্বিতীয় বছেরে মহা বিকাশ আগাড়ির আর এক দল এনসিপিতে ফাটল ধরাল বিজেপি। এনসিপিতে বিদ্রোহ ঘোষণা করে মহাজোট ছেড়ে বিজেপির পথে পা বাড়াল অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী।
সবে মাত্র পাটনায় বিজেপি বিরোধী মহাজোটের একটা বৈঠক হয়েছে। দ্বিতীয় বৈঠকের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছে মাত্র, এরই মধ্যে বড়ো ঝটকা দিল বিজেপি। শিবসেনার পর এনসিপিকে ছত্রখান করে দিল তারা। অজিত পাওয়ার ও তাঁর অনুগামী বিধায়কদের ভিড়িয়ে একেবারে কোমর ভেঙে দিল এনসিপির।

সূত্রের খবর, অজিত পাওয়ার রাজ্য বিধানসভায় এনসিপির মোট ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে ৪৩ জনের সমর্থন আদায় করে নিয়েছেন। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে ৩৬ জন বিধায়কের সমর্থন লাগবে। সেই নিরিখে তাঁর হাতে বেশি বিধায়ক রয়েছেন। ফলে তিনি যে এবার কোমর বেঁধেই বিদ্রোহে নেমেছেন এবং বিজেপিও যে অঙ্ক কষেই জোটকে ধাক্কা দিয়েছে, তা বলাই যায়।
শরদ পাওয়ার যখন ২০২৪ নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী মহাজোটে সমস্ত বিরোধী দলকে একত্রিত করার জন্য রাজনৈতিক কৌশল রচনায় ব্যস্ত, তখন তাঁর নিজের দলেই এক অভূতপূর্ব সংকট তৈরি হল। ভাইপো অজিত পাওয়ারের বিদ্রোহে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেন তিনি।

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে মহারাষ্ট্রে মহা বিকাশ আগাড়ি বা এমভিএ ভাঙতে বিজেপি গত দুই বছরে দুবার আঘাত করল। প্রথমবার একনাথ শিন্ডে ৪০ জন শিবসেনা বিধায়ককে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আর এবার অজিত পাওয়ারও ৪০ জনের বেশি এনসিপি বিধায়ক নিয়ে বিজেপি শিবিরে যোগ দিলেন।
অজিত পাওয়ার কিছুদিন আগেও একবার বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সেবার বিদ্রোহ ঠেকিয়ে দেন শরদ পাওয়ার। সেবারও অজিত পাওয়ার বিজেপি শিবের যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। একদিকে শরদ পাওয়ার অন্যদিকে একনাথ শিন্ডে বেঁকে বসেছিল অজিত পাওয়ারকে নিয়ে।

দিল্লিতে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দেখা করে একনাথ শিন্ডে বলেছিলেন, অজিত পাওয়ার এনসিপি বিধায়কদের নিয়ে সরকারে যোগ দিলে তিনি এই সরকার থেকে বেরিয়ে যাবেন। কিন্তু তাঁর সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতে সফল হয় বিজেপি। তারপরই অজিত পাওয়ার বিদ্রোহ জারি করে বেরিয়ে গেলেন। এনসিপি বিধায়কদের নিয়ে যোগ দিলেন বিজেপি শিবিরে।
প্রথমে শিবসেনা, পরে এনসিপিতে এই বিদ্রোহের বীজ বপনে যে বিজেপিরই হাত রয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ কথা জলের মতো পরিষ্কার যে বিজেপি মহারাষ্ট্রে মহাজোটের কোমর ভেঙে দিতে চাইছে। কেননা ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন তো আছেই, তারপরেই মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন। আগেভাগে অঙ্ক কষে এগোচ্ছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications