নির্বাচনের পরে শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা! মহারাষ্ট্রে ঝাঁপিয়েছে বিজেপি ও শিবসেনা
শিবসেনার ৫০-৫০ ফর্মুয়াল ব্যতিব্যস্ত বিজেপি ঠিক করেছে দিওয়ালির পর মহারাষ্ট্রে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
শিবসেনার ৫০-৫০ ফর্মুলায় ব্যতিব্যস্ত বিজেপি ঠিক করেছে দিওয়ালির পর মহারাষ্ট্রে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ সম্পন্ন হবে। যদিও এর মধ্যেই নির্দলদের মন জয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নির্দল বিধায়করাও বিজেপি ও শিবসেনা নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমর্থনের সিদ্ধান্তের কথা জানাতে শুরু করেছেন।

ইতিমধ্যেই মীরা ভায়ান্দারের নির্দল বিধায়ক গীতা জৈন এবং বার্শীর বিধায়ক রাজেন্দ্র রাউত বিজেপিকে তাঁদের সমর্থনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে তাদের মনের কথা জানিয়েছেন। এঁদের মধ্যে গীতা জৈন বিজেপির বিক্ষুব্ধ। নির্বাচনের আগে টিকিট না পাওয়ায় দল ছেড়ে দলেরই বিধায়ক এবং প্রার্থী নরেন্দ্র মেহতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পড়েন এবং জিতেও যান।
অন্যদিকে, অমরাবতীর বিদর্ভ এলাকার আচলপুরের বিধায়ক বাচ্চু কাডু এবং তাঁর অপর সহকর্মী মেলঘাটে রাজকুমার প্যাটেল শিবসেনাকে তাঁদের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। এঁদের মধ্যে কাডু প্রহার জনশক্তি পার্টির বিধায়ক।
মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে দেখা করার আগে নির্দলীয় বিধায়ক গীতা জৈন বহুজন বিকাশ আঘাধির প্রধান এবং ভাসাই-এর বিধায়ক হীতেন্দ্র ঠাকুরের কাছেও গিয়েছিলেন। এপ্রসঙ্গে জৈন জানিয়েছেন নির্বাচনী প্রচারে সাহায্য করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন।
শিবসেনার তরফে জানানো হয়েছে ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তারা বিজেপির সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। এবার তারা তাদের নিজেদের অংশ চাইছেন।
নির্বাচনের আগে সেরকম কিছু শোনা না গেলেও, নির্বাচনের পরে বিজেপির আসন সংখ্যা কমতেই চাপ বাড়িয়েছে শিবসেনা। যদিও বিজেপি সেই চাপ মানতে রাজি নয়। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ জানিয়েছেন, তিনি এনডিএ-র মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই ফেরত আসতে চলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications