লোকসভা নির্বাচনে কি পঞ্জাবে বিজেপি-অকালি জোট? জল্পনা তুঙ্গে
দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক জোট। কিন্তু তিন কৃষি আইন নিয়ে মত পার্থক্যের কারণে এনডিএ ছেড়েছিল পঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দল। লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে ফের সেই অকালি দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বিজেপি। সিনিয়র বিজেপি নেতা তথা দলের মুখপাত্র এসএস চ্যানি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, দুইদলের মধ্যে আলোচনা চলছে। এব্যাপারে শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।
বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, ২২ মার্চ অকালি দলের কোর কমিটির বৈঠক হবে। তারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে বিজেপি ও শিরোমণি অকালি দলের মধ্যে আনুষ্ঠানিত বৈঠক হবে। এরপর চূড়ান্ত ঘোষণা করবে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত পঞ্জাবে নির্বাচন হবে সাত দফা নির্বাচনের একেবারে শেষ দিন অর্থাৎ পয়লা জুন।

অন্যদিকে অকালি দলের সাধারণ সম্পাদক দলজিৎ সিং চিমা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, দলের কোর কমিটির বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। সেখানে পঞ্জাবের পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক কৌশলও আলোচনায় আসবে। তবে তিনি বিজেপির নাম না করে সমমনা রাজনৈতিক দলের কথা বলেছেন। তবে অকালি দল সূত্রে খবর, তারা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ও শিখ বন্দিদের মুক্তির মতো অমীমাংসিত বিষয়গুলির জন্য বিজেপির সঙ্গে জোট করতে দ্বিধাবোধ করছে। আবার তারা এক দেশ এক নির্বাচন এবং সিএএ-র মতো বিষয়গুলিতে এনডিএকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।
উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও অকালি দল একইসঙ্গে লড়াই করে। রাজ্যের তেরোটি আসনের মধ্যে অকালি দল ১০ টি ও বিজেপি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। সেখানে অকালি দল ও বিজেপি দুটি করে আসনে জয় পায়। কংগ্রেস জয়ী হয় আটটি আসনে। একটি আসন পায় আপ। বিজেপি পেয়েছিল গুরুদাসপুর ও হোশিয়ারপুর আসন। তবে ২০২২-এর বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করে আপ প্রথমবারের জন্য পঞ্জাবের ক্ষমতা দখল করে।
এরপর ২০২০-র সেপ্টেম্বরে তিন কৃষি আইনের বিরোধিতা করে শিরোমণি অকালি দল বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পঞ্জাবে যদি শেষ পর্যন্ত বিজেপি ও শিরোমণি অকালি দলের জোট হয়, তাহলে সেখানে গেরুয়া শিবির তাদের অবস্থানকে যথেষ্ট শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে।
এদিকে আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিং সান্ধু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁকে অমৃতসর থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications