মিথ্যা মামালায় ফাঁসানোর হুমকির অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বিলকিস বানো মামলায় মুক্ত আসামিরা
মিথ্যা মামালায় ফাঁসানোর হুমকির অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বিলকিস বানো মামলায় মুক্ত আসামিরা
১৫ অগাস্ট বিলকিস বানো মামলায় ১১ জন দোষী মুক্তি পেয়েছে। গুজরাত সরকারের একটি কমিটি তাদের মুক্তি দিয়েছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কিন্তু জানা গিয়েছে, মুক্তি পাওয়ার পর ওই ১১ জন আসামি রাধিকাপুর গ্রামে ফেরেননি। দোষীদের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁরা পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

তালাবন্ধ একাধিক আসমির বাড়ি
বিলকিস বানো মামলায় দোষীরা রাধিকাপুর গ্রামে থাকেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মুক্তির পর থেকে তাদের আর গ্রামে দেখতে পাওয়া যায়নি। বিলকিস বানো মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত শৈলশ ভাট ও মিতেশ ভাটের বাড়ি তালাবন্ধ অবস্থায় দেখা যায়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মুক্তির পর থেকে দুই দোষীকে তাঁরা দেখতে পাননি। অভিযুক্ত রাধেশ্যাম শাহের বাড়িও তালাবন্ধ অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরাও একই ধরনের কথা বলেন। যদিও বাঁকাভাইয়ের বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দেখা যায়।

মিথ্যা মামলার ভয়ে গ্রাম ছাড়া!
শৈলেশ ভাট ও মিতেশ ভাটের বাড়ি থেকে ৫০ মিটার দূরে বাঁকাভাইয়ের বাড়ি। সেখানে তাঁর স্ত্রী মঙ্গলিবেন ও সন্তানদের দেখতে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে ১১ জনই ভয়ে রয়েছেন। এখানে অন্য সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা হুমকি দিয়েছেন, তাঁদের আবার জেলে পুরে দেবেন মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে। তাই তাঁরা মুক্তি পাওয়ার পর গ্রামে প্রবেশ করেননি। ১১ জনই পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। নিজের আর্থিক অবস্থার কথা বলতে গিয়ে ভেঙে পড়েন মঙ্গলিবেন। তিনি বলেন, 'দৈনিক ১০০টাকাও আয় করতে পারি না। মাঝে মাঝে আয় কিছুই হয় না। আত্মীয়দের কাছে সাহায্য চাইতেও পারি না। তারা আর কতদিন খাওয়াবে। একপ্রকার না খেয়েই থাকতে হচ্ছে।'

কাজ পাচ্ছেন না দোষীদের পরিবার
বাঁকাভাইয়ের স্ত্রী মঙ্গলিবেন জানিয়েছেন, দিন মজুরি করে দিন কাটে। কিন্তু ১৫ অগাস্ট ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই তিনি কাজ পাচ্ছেন না। এখানে বেশিরভাগ জমির মালিক মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। কিন্তু আসামির ছাড়া পাওয়ার পর মঙ্গলিবেনকে কাজ দিতে সবাই অস্বীকার করেছে। যার ফলে তীব্র আর্থিক অনটন দেখা দিয়েছে। তবে ১১ জন আসামি ছাড়া পাওয়ার পর রাধিকাপুর গ্রামে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল, এই দাবি মঙ্গলিবেন অস্বীকার করেছিলেন।

আসামিদের মুক্তিতে কোনও উৎসব হয়নি
স্থানীয় চিকিৎসক নীলেশ বামানিয়া বলেছেন, 'আসামিরা যে মুক্তি পেয়ে গ্রামে প্রবেশ করেছে, তা আমি সংবাদমাধ্যম মারফৎ জানতে পেরেছি।' তিনি মন্তব্য করেন, ১৫ অগাস্টের দিন গ্রাম শান্ত ছিল। কোনও অশান্তি বা উত্তেজনা হয়নি। কোনও মিছিল বের হয়নি বলেও স্থানীয় চিকিৎসক মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, 'আমার বাড়ি প্রধান সড়কের ওপর। ডিজে বাজিয়ে মিছিল করে আসামিদের স্বাগত জানালে জানতে পারতাম।' পাশাপাশি তিনি দাবি করেছেন, 'আসামিরা অত্যন্ত দরিদ্র পারিবারের। তাদের নিয়ে বিতর্ক বন্ধ হোক।'
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications