বিলকিস বানোর আবেদনের প্রেক্ষিতে কেন্দ্র-গুজরাত সরকারকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের
গণধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত ১১জনের মুক্তির বিরুদ্ধে আবেদন জানিয়েছিলেন নির্যাতিতা বিলকিস বানো। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে কেন্দ্র ও গুজরাত সরকারকে নোটিশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৮ এপ্রিল প্রয়োজনীয় নথি সহ প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে গুজরাত সরকারকে।

আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কেএম জোসেফ ও বিভি নাগরত্নার বেঞ্চে। গত সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নতুন বেঞ্চ তৈরিতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এর আগে সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গুজরাত সরকারের তরফে। যা নিয়ে চূড়ান্ত বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
বিলকিস বানো ২১ বছর বয়সে ধর্ষিতা হন। সেসময়ে তিনি পাঁচমাসের গর্ভবতী ছিলেন। এমনকী তাঁর তিন বছরের মেয়ে সহ পরিবারের সাতজনকে খুন করা হয়। ধর্ষণের মামলায় ১১ জনকে পরে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কিছুদিন আগে গুজরাত সরকার এই যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়।
সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি গত ৪ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল বিচারপতি অজয় রস্তোগি ও বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চে। তবে বিচারপতি ত্রিবেদী মামলা শোনা থেকে সরে দাঁড়ান। যার ফলে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়কে নতুন বেঞ্চে মামলা পাঠাতে হয়েছে।
গত বছরে সাজাপ্রাপ্তদের জেল থেকে ছাড়ার পরই একসঙ্গে অনেকদিন আবেদন এর বিরুদ্ধে জমা পড়ে। রাজনীতিবিদ থেকে সমাজকর্মী - অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হন। ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান উইমেনের জেনারেল সেক্রেটারি অ্য়ানি রাজা, সিপিএম সাংসদ সুভাষিনী আলি, সাংবাদিক রেবতী লৌল, সমাজকর্মী রূপ রেখা বর্মা ও তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।
গত নভেম্বরে বিলকিস বানো নিজে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। সেই মামলাতেই এদিন গুজরাত সরকার ও কেন্দ্রকে নোটিশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications