Bilkis Bano case: দোষীদের মুক্তির ফাইল সুপ্রিম কোর্টে দেবে কেন্দ্র-গুজরাত সরকার
আরও একবার সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল বিলকিস বানো মামলার শুনানি! আগামী ৯ মে পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০০২ সালে গুজরাত দাঙ্গার সময়ে বিলকিস বানোকে ধর্ষণ এবং তাঁর পরিবারকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়।
যদিও এই ঘটনায় দোষী ১১ জনকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। এমনকি এই বিষয়ে নতুন করে শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। গত বছর গুজরাত নির্বাচনের আগে ১১ জন দোষীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও এই মামলায় গত শুনানিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং গুজরাত সরকারকে তীব্র ভতসনা করে সুপ্রিম কোর্ট।

ভয়ঙ্কর ঘটনায় কীভাবে দোষীদের ছাড়া হল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। বিচারপতি কে এম জোসেফ এবং বিচারপতি বিভি নাগরত্নের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে। সেই মামলায় সলিশিটর জেনারেল তুষার মেহেতা কেন্দ্র এবং গুজরাত সরকারের হয়ে সওয়ালে অংশ নেন। বিশেষাধিকার যে দাবি করা হচ্ছে না সে বিষয়ে আদালতকে জানান তিনি।
এমনকি গত মামলার শুনানির বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন কোনও দায়ের করা হচ্ছে না বলেও শুনানিতে জানান সলিশিটর জেনারেল। বলে রাখা প্রয়োজন, গত মামলার শুনানিতে দোষীদের রেহাই সংক্রান্ত সমস্ত আসল নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় বিশেষ এই বেঞ্চ।
মামলার শুনানিতে গুজরাট সরকার এবং কেন্দ্র দোষীদের মুক্তি সংক্রান্ত আসল নথি শীর্ষ আদালতের সামনে পেশ করতে প্রস্তুত বলে এদিন জানিয়েছেন তুষার মেহতা। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এর আগে ১১ জন অভিযুক্তের রেহাই সংক্রান্ত নথি সামনে না নিয়ে আসারই ইঙ্গিওত উঠে এসেছিল আইনজীবীর মন্তব্যে।
আদালতের এই নির্দেশ ভিউ পিটিশনে যাওয়ার কথাও বলেছিলেন সলিশিটর জেনারেল। যদিও রিভিউ পিটিশনে যে তাঁরা যাচ্ছেন না তা আজ জানিয়ে দিয়েছেন সলিশিটর জেনারেল। তবে এদিন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবী সময় চেয়ে নেন। এদিন সবার কথা শুনে মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ৯ তারিখ ফের এই মামলার শুনানি হবে।

তবে বিচারপতি জোসেফ অবসর নিচ্ছেন। ফলে মামলার গতিপ্রকৃতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও বিচারপতি জোসেফ জানিয়েছেন, মামলার একটি টাইমলাইন নিয়ে তৈরি করছেন। যে বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হোক না কেন যাতে সময় না যায় সেজন্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য বিচারপতির।
তবে বিলকিস মামলা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ক্রমশ।












Click it and Unblock the Notifications