শুখা বিহারে 'তাড়ি' খাওয়ার পরামর্শ লালু যাদবের
পাটনা, ২০ অগাস্ট : বিহারের গোপালগঞ্জ এলাকায় বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনার পরে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছে ক্ষমতাসীন নীতীশ কুমারের সরকার। বিতর্কের নবতম সংযোজনটি করলেন সরকারের জোট শরিক এবং আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। শনিবার একটি সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন সময়ে আরজেডি সুপ্রিমো দেশি মদ না খেয়ে তাড়ি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন। বিষ মদ খেয়ে ১৬ জনের মৃত্যুর ঘটনার পরে এখন পিঠ বাঁচাতে ব্যস্ত নীতীশ সরকার। তার মধ্য়ে লালুর এই মন্তব্য সরকারকে নতুন করে বিপাকে ফেলতে পারে। [বিহারে মদের আইন ভাঙায় জরিমানা গোটা গ্রামের!]
লালু তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, "বিহারে বিষ মদ খেয়ে ১৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। মদ নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পরে যে মদ পাওয়া যাচ্ছে তা বেশিরভাগই বিষাক্ত। তাই খেতেই যদি হয় তাহলে মদ না খেয়ে তাড়ি খাও।" এই মন্তব্য ঘিরেই এখন বিহারের রাজ্য রাজনীতি সরগরম। [ধর্ষিতার নাম-ধাম ফেসবুকে প্রকাশ করে ভর্ৎসনার মুখে বিহার পুলিশ]

উল্লেখ্য তাড়ি হল একপ্রকার দেশি পানীয়। যা তালের রস থেকে তৈরি করা হয়। বিহারের গ্রামীণ এলাকাগুলিতে এই পানীয়ের বহুল প্রচলিত। ৫ এপ্রিল ২০১৬ তে বিহার সরকার মদ নিষিদ্ধ করে দেয়। এরপর থেকে দেশি মদ, তারি, মতো মাদক দ্রব্য ব্যবহার অনেকটাই বেড়েছে বিহারে। এরপর সরকার তারিও নিষিদ্ধ করে দেয়। যার ফলে বিহারের বহু গ্রামীণ এলাকায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিল মানুষ। পরবর্তীতে সরকার তাড়ির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। [নির্ভয়া কাণ্ডের ছায়া বিহারে : যৌনাঙ্গে পিস্তল, কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে গণধর্ষণ]
মদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনায় সরকার পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করলেও বিরোধীদল বিজেপি এই ইস্যুকেই কাজে লাগাতে চাইছে। লালুর এই মন্তব্যের পরে বিজেপির পক্ষে সরকারকে কোণঠাসা করাটা আরও সহজ হয়ে গেল এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। [বিহারে নিষিদ্ধ মদ : নেশার অভাবে অসুস্থ ৭৫০, নেশার আশায় কেউ খেল সাবান, কেউবা পেনকিলার!]












Click it and Unblock the Notifications