ক্রমেই বিহারের মজফ্ফরপুরে বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যা। তীব্র দাবদাহে তপ্ত বিহারে কয়েকদিন আগে থেকে শুরু হয়েছিল এই মৃত্যুমিছিল। আর তা বেড়ে এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত বিহারে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১২৯ -এ। মৃতদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি।
একাধিক সরকারী হাসপাতালে ক্রমেই বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। কখনও উঠে আসছে সরকারী পরিকাঠামোর খামতি ,আবার কখনও উঠে আসছে চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ। সবমিলিয়ে মহামারী আক্রান্ত বিহার কিছুতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। এদিকে, বিহারের শ্রীকৃষ্ণা হাসপাতালের সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক ড: ভীমসেন কুমারকে সাসপেন্ড করেছে বিহার প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, কর্তব্যে চিকিৎসকের গাফিলতির জেরেই এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিহারের মুখ্যসচিব জানান, মুজফ্ফর পুরের পরিস্থিতি দেখে আরও ১২ জন চিকিৎসককে সেখানের শ্রীকৃষ্ণা হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি তাতে খানিকটা উন্নত হবে বলে আশা প্রশাসনের।
এদিকে, মৃতদের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বিহার সরকার। তবে নীতিশ কুমার সরকারের ওপর সাধারণের ক্ষোভ কিছুতেই কমছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও নিশানায় রেখেছে সরকারকে। তবে মহামারীর প্রকোপ ক্রমেই গ্রাস করে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের এই প্রতিবেশী রাজ্যকে।