যবনিকা পতনের অপেক্ষায় বিহার, ভোটের অঙ্ক কষে পাটনা দখলের সমীকরণ মেলাবে কোন দল?

সব বিশেষজ্ঞের মতে বিহারে এবার মূল লড়াই নীতীশ কুমার বনাম তেজস্বী যাদব। তবে এই হেভিওয়েটদের লড়াইয়ের মাঝেও এবারে বিহারে দেখা গিয়েছে একাধিক ডার্ক হর্স এবং জোট। বিহার নির্বাচনে এনডিএ এবং তেজস্বীর নেতৃত্বাধীন মহাজোট ছাড়াও রয়েছে আরও অন্তত দুটি বড় জোট। তাছাড়া রয়েছেন চিরাগ পাসোয়ান, শরদ যাদবদের মতো সিঙ্গল খেলোয়াড়।

দলিত এবং মুসলিম ভোটের সমীকরণ

দলিত এবং মুসলিম ভোটের সমীকরণ

বিহার নির্বাচনে দলিত এবং মুসলিম ভোট কেন্দ্রীভূত করে নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে তৃতীয় ফ্রন্ট গড়েছিলেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এবং মায়াবতী। এই জোটের মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ করা হয়েছে এই জোটের বৃহত্তম শরিক আরএলএসপি সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহাকে। এই পরিস্থিতিতে বিরোধীদের ভোট কেটে নিজেদের পকেটে পুড়তে পারে এই জোট। আর তাতে লাভ হতে পারে এনডিএর। এবং এই ভোট কাটাকাটির সমীকরণে কড়া লড়াই হবে সীমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি আসনে।

মায়াবতী-ওয়েইসির জোটে লাভবান কে?

মায়াবতী-ওয়েইসির জোটে লাভবান কে?

দলিতদের রাজনৈতিক দল হিসাবে ঘোষিত বিএসপি। তাছাড়া গত বছর সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দোলনে মুসলিমদের মুখ হয়ে উঠতে শুরু করেছিলেন ওয়েইসি। এছাড়া বিহারের মহাদলিত, কুরমি, মল্লা জাতিদের নেতারাও এই জোটে রয়েছে। আর তাই বিজেপি বিরোধিতায় সরব হওয়া এই জোট বিরোধীদের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসিয়ে শেষ মুহূর্তে লাভ করে দিতে পারে বিজেপিরই।

পাপ্পু ফ্যাক্টর

পাপ্পু ফ্যাক্টর

এছাড়া বিহার বিধানসভা ভোটে, ন'টি আলাদা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ফ্রন্ট তৈরি করেছেন পাপ্পু যাদব, যার নাম দেন প্রোগ্রেসিভ ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স। এই জোটে রয়েছে চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণের আজাদ সমাজ পার্টিও। এই জোটের তরফে বিহারের ২৪৩টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছেন তাঁরা। পাপ্পুকে এর আগে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এককালে রাজ্যের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় 'ভোটকাটুয়া' বলে অভিহিত করেছেন। এবং এই জোটের জেরে নীতীশ-তেজস্বীর কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা গিয়েছে। তাছাড়া নীতীশের বড় চিন্তার কারণ চিরাগ পাসোয়ানের বিদ্রোহ।

২০১৫-র তুলনায় বেশি ভোট এবারে

২০১৫-র তুলনায় বেশি ভোট এবারে

পরিসংখ্যান বলছে সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার উল্লেখযোগ্য। সব আশঙ্কা ও সন্দেহ দূর করে করোনা পরিস্থিতিতেও বিহার বিধানসভা নির্বাচনের তিন দফা মিলিয়ে ৫৭.০৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০১৫-র তুলনায় যা বেশি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সেবছর ভোট পড়েছিল ৫৬.৬৬ শতাংশ। এবং বিশেষজ্ঞদের মতে বেশি ভোট পড়া মানে বদলের ইঙ্গিত। এদিকে একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষাতেও সেই ইঙ্গিত মিলেছে।

করোনা পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রের জয়

করোনা পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রের জয়

করোনা পরিস্থিতিতে কতজন বুথমুখী হবেন, তা নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দেহ ছিল। কিন্তু ভোটের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে উৎসাহের সঙ্গে ভোটারদের দেখা যায়। ভোট দিতে যাওয়ার জন্য কোথাও সাময়িকভাবে বাঁশের সেতু তৈরি করা হয়। আবার কোথাও দেখা যায় খাটিয়াতে করে বৃদ্ধ ভোটারকে কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

নীরবে ভোট বৈতরণী পার করবেন নীতীশ?

নীরবে ভোট বৈতরণী পার করবেন নীতীশ?

এবছর বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ৫৯.৬৯ শতাংশ মহিলা ভোটার ভোট দিয়েছেন। যা নীতীশের পক্ষে যেতে পারে বলে অনেকেরই মত। নির্বাচনের প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার তুলনায় তৃতীয় দফায় ভোটের হার বেশি ছিল। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৫৫.৬৮ শতাংশ। নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় পড়েছে ৫৫.৭০ শতাংশ। গত বছর লোকসভা নির্বাচনে ৫৭.৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+