এবার কি প্রশান্ত কিশোরের 'ঘরওয়াপসি'? বৈঠকের পরে নীতীশ কুমারের মন্তব্যে জল্পনা
তৃণমূলের (Trinamool Congress) সঙ্গে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) সম্পর্কে অবনতির কথা সংবাদ মাধ্যমের কাছে এসেছে। কিন্তু তা নিয়ে তৃণমূলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কিছু জানা যায়নি। এরই মধ্যে দিল্লিতে প্রশান্ত ক
তৃণমূলের (Trinamool Congress) সঙ্গে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) সম্পর্কে অবনতির কথা সংবাদ মাধ্যমের কাছে এসেছে। কিন্তু তা নিয়ে তৃণমূলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কিছু জানা যায়নি। এরই মধ্যে দিল্লিতে প্রশান্ত কিশোর এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) বৈঠক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বৈঠকের পরে নীতীশ কুমারের ছোট্ট মন্তব্যকে ঘিরেও প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
|
পুরনো সম্পর্ক
এদিন দিল্লিতে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠক করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তবে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও উত্তর দেননি। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পাল্টা প্রস্ন করেন, প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কি এদিন থেকে? এই বৈঠকের পিছনে বাড়তি কোনও অর্থ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন পরে দুই নেতার সাক্ষাৎকার নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা উঠে আসছে।

২০১৫-তে নীতীশের পরামর্শ দাতা
২০১৫ সালে নীতীশ কুমার বিহারে মহাজোট গড়ে বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। সেই জোটে সেই সময় সামিল ছিল জেডিইউ ছাড়াও আরজেডি এবং কংগ্রেস। সেই নির্বাচনে বিজেপি পরাস্ত হয়। পরবর্তী সময়ে অবশ্য নীতীশ কুমার মহাজোট ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গে জোট করেছিলেন। প্রশান্ত কিশোর ২০১৮-তে জেডিইউতে যোগও দিয়েছিলেন। নীতীশ কুমার তাঁকে জেডিইঈউ-এর সহসভাপতিও করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নীতীশ কুমারের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতির কারণে প্রশান্ত কিশোর জেডিইউ ছাড়েন।

তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক শীতল
পুরসভায় প্রার্থী তালিকা নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক এখন শীতল। এমাসের শুরুর সপ্তাহে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল প্রশান্ত কিশোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টেক্সট মেসেজ করে জানিয়েছিলেন তিনি বাংলা, ত্রিপুরা আর মেঘালয়ে তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করতে চান না। যার উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থ্যাঙ্ক ইউ বলে জবাব পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে টুইটার আনফলো এবং ফলো নিয়েও জল্পনা ছড়ায়। তবে প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে তৃণমূলের অবস্থান এখনও স্পষ্ট করে কিছু সামনে আসেনি।

ঝাড়খণ্ডে ভাষা বিতর্ক নিয়েও মন্তব্য
ঝাড়খণ্ডে ভাষা বিতর্ক তুঙ্গে। এদিন সকালে সরকারের তরফে জেলাগুলির আঞ্চলিক ভাষার একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে ভোজপুরী এবং মাগাহি ভাষাকে বোকারো এবং ধানবাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নীতীশ কুমার বলেছএন এই দুই ভাষা কি শুধু একটি রাজ্যের। উত্তর প্রদেশেও ভোজপুরী ভাষায় কথা বলা হয়। একটা সময় বিহার ও ঝাড়খণ্ডও এক ছিল। বর্তমান বিতর্ক তাঁকে অবাক করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের স্বার্থে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না বলে জানিয়েছেন নীতীশ কুমার।












Click it and Unblock the Notifications