কেদারনাথ মন্দিরে হদিশ নেই ২২৮ কেজি সোনার! উদ্ধব-সাক্ষাৎ সেরেই তদন্ত দাবি শঙ্করাচার্যের
Big Scam In Kedarnath Temple: কেদারনাথ মন্দির থেকে খোয়া গিয়েছে ২২৮ কেজি সোনা। চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ করলেন জ্যোতির্মঠের শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ।
কেন এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে না? সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এদিন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা উদ্ধ্বব ঠাকরের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই বোমা ফাটালেন তিনি।

উত্তরাখণ্ডের গাড়োয়াল হিমালয়ে অবস্থিত এই মন্দির শিবের দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম। সেখানেই সোনা লোপাটের অভিযোগ ওঠায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জ্যোতির্মঠের শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ বলেন, কেদারনাথে সোনার কেলেঙ্কারি হয়েছে। কেন সেই বিষয়ে আলোকপাত করা হচ্ছে না?
তিনি বলেন, কেদারনাথে এমন কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে এবার কি দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির বানানো হবে? তারপর সেখানেও আবার কেলেঙ্কারি হবে। কেদারনাথ মন্দির থেকে ২২৮ কেজি সোনা লোপাট হয়েছে। কিন্তু তার তদন্তই হচ্ছে না! এর জন্য দায়ী কে? কেউ কেউ দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির করার কথা বলছেন। সেটা হবে না।
#WATCH | Mumbai: On Kedarnath Temple to be built in Delhi, Shankaracharya of Jyotirmath, Swami Avimukteshwaranand alleges, "There is a gold scam in Kedarnath, why is that issue not raised? After doing a scam there, now Kedarnath will be built in Delhi? And then there will be… pic.twitter.com/x69du8QJN2
— ANI (@ANI) July 15, 2024
উল্লেখ্য, দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরির উদ্যোগের বিরোধিতা করে প্রতিবাদ-আন্দোলন সংঘটিত হচ্ছে। দিল্লিতে এই মন্দির তৈরির বিরোধিতা করেছেন কেদারনাথ মন্দিরের পুরোহিতরাও। ১০ জুলাই দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।
স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দর দাবি, উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের উদ্ধবকে দেখতে চেয়ে তিনি বলেন, আমরা সকলেই সনাতন হিন্দু ধর্মের। আমরা পাপ ও পুণ্যের সংজ্ঞা জানি। তবে সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো বিশ্বাসঘাতকতা।
উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা দেখে তাঁরা ব্যথিত বলেও জানান জ্যোতির্মঠের শঙ্করাচার্য। উদ্ধব মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী না হওয়া অবধি এই যন্ত্রণা থেকে তাঁরা মুক্তি পাবেন না বলেও জানিয়েছেন। উদ্ধবের সঙ্গে সাক্ষাতে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।
শঙ্করাচার্য আরও বলেন, যিনি প্রতারিত, বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন তিনিই হিন্দু। মহারাষ্ট্রের মানুষ যে বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি তা নির্বাচনের ফলেই স্পষ্ট। জনাদেশকে এভাবে অসম্মান করা উচিত নয়। কোনও সরকারকে মেয়াদ শেষের আগে ভেঙে দেওয়া উচিত নয়। যদিও কেদারনাথ মন্দিরের সোনা কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বড় ঝড় উঠতে পারে।
নিজেকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করলেও শঙ্করাচার্যের বক্তব্যে রাজনীতির যোগ খুঁজে পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁর নিশানায় যে বিজেপি তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উত্তরাখণ্ড সরকার বা কেন্দ্র কিংবা বিজেপি কোন পদক্ষেপ করে সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications