Mahakumbh 2025: কাছের মানুষ হারিয়ে গেলেও এবার তাঁদের খুঁজে পাওয়া সহজ কুম্ভমেলায়!
সোমবার প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভের প্রথম দিনেই বিশাল ভিড়ের মধ্যে পড়ে অন্তত ২৫০ জন মানুষ হারিয়ে গিয়েছিলেন। তবে তাদের সকলকেই মেলা প্রশাসনের ভিড়-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পুনরায় খুঁজে বের করেছেন কর্মকর্তারা। মহাকুম্ভের উদ্বোধনী দিনে পবিত্র সঙ্গমে পবিত্র স্নানের জন্য লক্ষাধিক ভক্ত শহরে ভিড় করার কারণে এই বিপত্তি ঘটে বলেই জানা যাচ্ছে।
বিশাল সমাবেশ পরিচালনা করতে, উত্তরপ্রদেশ সরকার বেশ কয়েকটি ভিড়-নিয়ন্ত্রণ কৌশল প্রয়োগ করেছে। এই ব্যবস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে 'ভুলা-ভাটকা' ক্যাম্প, পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র এবং মেলার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত ওয়াচটাওয়ারে কর্মী মোতায়েন।

তদুপরি, নিখোঁজ ব্যক্তিদের নাম অবিচ্ছিন্নভাবে ঘোষণা করার জন্য ঘাটের পাশে লাউডস্পিকারও স্থাপন করা হয়েছে। দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য, পুলিশ এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা সক্রিয়ভাবে তীর্থযাত্রীদের সহায়তাও করছেন এখানে।
প্রয়াগরাজে মহা কুম্ভ মেলার উদ্বোধনী দিনটি পৌষ পূর্ণিমা স্নান উৎসব হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। ফলে সোমবার দেড় কোটিরও বেশি ভক্ত পবিত্র ত্রিবেণী সঙ্গমে এক পবিত্র স্নানের জন্য একত্রিত হয়েছিল। এই মহাকুম্ভ মেলা শেষ হবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি।
বিশাল সমাবেশ পরিচালনা করার জন্য, উত্তরপ্রদেশ সরকার 'ভুলা-ভাটকা' ক্যাম্প, পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র এবং মেলার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত ওয়াচটাওয়ারে কর্মীদের মোতায়েন সহ বেশ কয়েকটি ভিড়-নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে।
এই শিবিরগুলিতে হারিয়ে যাওয়া মহিলা এবং শিশুদের জন্য 'খোয়া-পায়া' (হারানো এবং খুঁজে পাওয়া) কেন্দ্রগুলির সাথে ডিজিটাল সরঞ্জাম এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহায়তাও রয়েছে। যাতে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও হারিয়ে যাওয়া পরিবারের সদস্যকে বাকি সদস্যরা খুঁজে পান, সেই দিকটাও দেখা হচ্ছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।
উত্তরপ্রদেশ পুলিশের মতে, মেলা এলাকায় ১০টি অত্যাধুনিক ডিজিটাল 'খোয়া-পায়া কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত, এই কেন্দ্রগুলিতে ভক্তদের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানের জন্য মহিলা ও শিশুদের জন্য ওয়েটিং রুম, মেডিকেল রুম এবং রিফ্রেশমেন্ট এলাকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
ADG ভানু ভাস্কর এর আগে বলেছিলেন যে প্রতিটি কেন্দ্র একটি পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত ৫৫-ইঞ্চি এলইডি স্ক্রিন দিয়ে লাগানো হয়েছে। যা হারিয়ে যাওয়া এবং পাওয়া ব্যক্তি কিংবা কোনও সামগ্রী সম্পর্কে লাইভ আপডেট প্রদর্শন করবে। কেন্দ্রগুলি ঘাট ব্যবস্থা এবং রুট সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে।
এমনকি, নিখোঁজ ব্যক্তি এবং হারিয়ে যাওয়া সামগ্রীগুলির সন্ধানের নাগাল বাড়ানোর জন্য ফেসবুক, এক্স হ্যান্ডেল এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও তথ্য ভাগ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে ডিজিটাল কেন্দ্রগুলি নিখোঁজ শিশু, মোবাইল ফোন, পার্স এবং অন্যান্য জিনিসপত্র সনাক্ত করতে সহায়তা করছে।
এদিকে, ঘাটে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা ভক্তদের সহায়তা করতে এবং বড় ধরনের বিঘ্ন এড়াতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। মূলত, উত্তরপ্রদেশ সরকারে ব্যবস্থাপনা দেখে নিশ্চিন্ত হচ্ছেন দেশ বিদেশ থেকে আসা অগণিত ভক্ত-পর্যটকেরা।












Click it and Unblock the Notifications