Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Bhopal Fire: ভোপালে পুড়ল সরকারি দফতরের নথি, বিশ্রাম নিল দমকলের সাড়ে ৫ কোটি টাকার ল্যাডার

Bhopal Fire: ভোপালের সাতপুরা ভবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকলের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। ৭ তলা বাড়ির এই অগ্নিকাণ্ডে বহু সরকারি দফতর আগুনের লেলিহান গ্রাসের কবলে পড়ে। পুড়ে গিয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি।

যদিও এই আগুন নেভাতে গিয়ে যখন দমকলকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন, তখন অদূরেই দাঁড়িয়ে দমকল বিভাগের অত্যাধুনিক হাইড্রনিক ল্যাডার। যা কেনা হয়েছিল বহুতলের আগুন নেভানোর জন্যই। তাও আবার সাড়ে ৫ কোটি টাকা দিয়ে।

সাতপুরা ভবন

সাতপুরা ভবনে আগুন লেগেছিল। সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় হাইড্রলিক ল্যাডারটি। যদিও সেটিকে ওই ভবন থেকে ৪০ মিটার আগেই দাঁড় করিয়ে রাখা হলো। ৯ মাস আগে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে এটি কেনা হয়েছিল। ১৮ তলা বিল্ডিংয়ের আগুন নেভাতে এটি কার্যকরী হবে বলেও দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু এটি ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নেই বলে অভিযোগ।

সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সাক্ষী থাকল ভোপাল। আর সেখানেই অব্যবহৃত হয়ে পড়ে রইল হাইড্রলিক ল্যাডার। যা নিয়ে দমকলকর্মীরাও ক্ষুব্ধ। রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসের গাফিলতিতেও এটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। সেনাবাহিনী ও বায়ুসেনাকে নামিয়ে ১৪ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

দমকল বিভাগ

গোটা ঘটনায় সরকারের মুখ পুড়েছে। বিরোধীরা সরব। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্রর দাবি, ওই ভবনের কাছে হাইড্রলিক ল্যাডারটি নিয়ে যাওয়ার মতো রাস্তা ছিল। সংকীর্ণ রাস্তার কারণেই সেটিকে দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। পার্কিং এরিয়া তৈরির কারণেই ল্যাডারটি ঢোকানোর মতো জায়গা মেলেনি।

অনেকটা চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে দশার মতো মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান নির্দেশ দিয়েছেন, বহুতলে যাতে এই ল্যাডারটি প্রবেশ করানো যায় সেইমতো পর্যাপ্ত জায়গার বন্দোবস্ত রাখতে হবে। যাতে দমকল বাহিনীর গাড়ি ঢুকতেও অসুবিধা না হয়। এর আগে দমকল বিভাগ মই বা স্টেপ ল্যাডার ব্যবহার করতো। তিন বা চারতলা বাড়ির আগুন নেভানোর মতো মেশিন ছিল।

প্রতীকী ছবি

হাইড্রলিক ল্যাডার দাঁড় করিয়ে রেখে পুরানো ইঞ্জিনগুলি দিয়েই আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা। জানা গিয়েছে, হাইড্রলিক ল্যাডার ব্যবহার করতে যে চার-পাঁচজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সময় তাঁদের কাউকে পাওয়াও যায়নি। সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ আগুন লেগেছিল।

সাতপুরা ভবনের তৃতীয় ফ্লোরে আদিবাসী উন্নয়ন দফতর থেকেই প্রথমে আগুন লাগে। এরপর উপরের আরও তিনটি তলে আগুন ছড়িয়ে যায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র বা এসি মেশিন থেকেই আগুন লেগেছে বলে অনুমান। ভবনের ভিতর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণেরও আওয়াজ আসে।

ভোপালের পুলিশ কমিশনার হরিনারায়ণ চারী মিশ্র জানিয়েছেন, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। যদিও গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+