জামা মসজিদের সামনেই সংবিধানের ভূমিকা পড়লেন ভীম আর্মি প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ
জামা মসজিদের সামনেই সংবিধানের প্রিয়াম্বল পড়লেন ভীম আর্মি প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ
জামা মসজিদের সামনে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার ফের সেই জামা মসজিদের বিক্ষোভ যোগ দিলেন ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ। নিজের সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়ে লাউডস্পিকারে সংবিধানের ভূমিকা পড়ে শোনান তিনি।

নাগরিকত্ব আইনকে তিনি কালো আইন বলে উল্লেখ করে জানিয়েছেন, 'এই মুহূর্তে দেশকে একত্র করা ছাড়া আর কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ নেই। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আমাদের শক্তি। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ, যাঁরা আমাদের সমর্থন করেন, তাঁদের বিপুল সংখ্যায় আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়া উচিত। যাতে সরকার এই প্রমাণ পায় যে, এই বিক্ষোভে শুধু মুসলিমরা রয়েছেন তা নয়। রয়েছেন সব ধর্মের মানুষ।’ জামা মসজিদ পরিদর্শনের জন্য আদালতের থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়েছেন ভীম আর্মির প্রধান।
বৃহস্পতিবার আজাদকে জামিনে মুক্তি দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তবে দিল্লিতে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আজাদ রাজধানীতে কোনও প্রতিবাদ–বিক্ষোভে যোগ দিতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশ থাকলেও মুক্তি পেয়েই জামা মসজিদে যান আজাদ। বিক্ষোভস্থল থেকেই তিনি বলেন, 'এখানে আসার কারণ সিএএ ও এনআরসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখানো এবং মানুষকে বলা যে, এই কালো আইন আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।’ জামা মসজিদের পাশাপাশি কারবালা ও বাংলা সাহিব গুরুদ্বারেও যাবেন ৩৩ বছরের ভীম আর্মির প্রধান।
জামা মসজিদের সিঁড়িতে বসে আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, 'আমি আইন অনুসরণ করছি এবং জামিনের শর্ত ভাঙছি না।’ ভীম আর্মি প্রধান জামা মসজিদে যাওয়ার আগে তিনি আরকে আশ্রমের বাল্মিকী মন্দিরেও যান। তাঁর লক্ষ্য একটাই সব ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে কেন্দ্র সরকারের আইনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে রাত ন’টার আগেই দিল্লি ছাড়তে হবে এবং একমাস দিল্লির বাইরে তাঁকে থাকতে হবে। যতক্ষণ না আজাদ তাঁর উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বাড়িতে ফিরে না যাচ্ছে ততক্ষণ তাঁর সঙ্গে পুলিশ থাকবে এবং গোটা বিষয়টি ভিডিও করবে।












Click it and Unblock the Notifications