বিশ্বজুড়ে করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে, কবে কোন টীকা বাজারে আসছে?
ভারতে তৈরি হওয়া করোনা রোধক টীকা কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়ে গিয়েছে শুক্রবার। এদিকে আমেরিকায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েও তৎপরতা তুঙ্গে। সেদেশে ফাইজার জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে করোনা টীকা ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন জানিয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে এই আবেদন জানিয়েছে ফাইজার।

আগামী মাসেই বাজারে আসতে পারে ফাইজারের করোনা রোধক টীকা
জানা গিয়েছে আগামী মাসের প্রথম থেকেই সীমিত পর্যায়ে ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। যদি এই অনুমোদন মিলে যায়, তাহলে আগামী মাসেই বাজারে আসতে পারে ফাইজারের করোনা রোধক টীকা।

কোভ্যাক্সিন মানব শরীরে পরীক্ষার তৃতীয় স্তরে
এদিকে ভারতে তৈরি হওয়া করোনা ভ্যাকসিনগুলির মধ্যে প্রথম টীকা হিসাবে কোভ্যাক্সিন মানব শরীরে পরীক্ষার তৃতীয় স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের কাছে বায়োসেফটি লেভেল থ্রি-র প্রোডাকশন ফেসিলিট রয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ২৬ হাজার ভলান্টিয়ারের শরীরে প্রয়োগ করা হবে কোভ্যাক্সিন।

মেট্রো শহরগুলিতে ২০০০ স্বেচ্ছাসেবকের উপর কোভ্যাক্সিন প্রয়োগ
জানা গিয়েছে, প্রতিটি মেট্রো শহরে ২০০০ স্বেচ্ছাসেবকের উপর কোভ্যাক্সিন প্রয়োগ করে দেখা হবে। ভারত বায়োটেকের দাবি, সরকারি সহায়তায় ফেব্রুয়ারিতে ভ্যাকসিন বাজারে আসতে পারে। এদিকে ভারত বায়োটেক কোরোনা ভাইরাসের আরও একটি টীকা আবিষ্কার করছে, যা নাকের মাধ্য়মে মানব শরীরে দেওয়া যাবে৷

ফাইজারেক করোনা টীকা
এদিকে তৃতীয় স্তরের পরীক্ষার চলাকালীন ফাইজার জানিয়েছে, তাদের ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ কার্যকরী। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফাইজারকেও বড়দিনের আগেই এই ভ্যাকসিন বাজারজাত করার অনুমতি দিতে পারে। এই ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজ হবে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার সাতদিনের মাথায় রোগীদের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications