Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

করোনার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কম, তবু বেঙ্গালুরুর কোভিড টিপিআর বেড়েই চলেছে

বেঙ্গালুরুতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে কোভিড টিপিআর। রাজ্যের স্বাস্থ্যবিভাগের বিশ্লেষণে স্পষ্ট বেঙ্গালুরুর কোভিড টেস্ট পজিটিভিটি রেট বা টিপিআর ফেব্রুয়ারি থেকে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে টিপিআর ছিল ১ শতাংশের নীচে। কিন্তু পরবর্তী দেড় মাসে তা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

করোনার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কম, তবু বেঙ্গালুরুর কোভিড টিপিআর বেড়েই চলেছে

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে বাড়তে বাড়তে চার সপ্তাহে অর্থাৎ ১ মাসে হয়েছে ৪.৩৩ শতাংশ। আরও দু-সপ্তাহে অর্থাৎ মোট দেড় মাসে বা ৬ সপ্তাহে তা দাঁড়িয়েছে ৯.৫৮ শতাংশ এই পরিসংখ্যান উদ্বেগ বাড়িয়েছে কর্নাটকের রাজধানীতে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন প্রশাসন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম। ১৯ মার্চ পর্থন্ত শহরে করোনা সক্রিয়ের সংখ্যা ছিল ৩৯৪। কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ এম কে সুদর্শন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন।

স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী বর্তমানে ৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫০ জন জেনারেল বেডে রয়েছেন। আর ১৩ জন আইসিইউতে ভর্তি আছে। পাঁচজন এইচডিইউতে রয়েছেন। তবে তাদের কেউই ভেন্টিলেটরে নেই। বিবিএমপিতে হাসপাতালে ভর্তির ক্লিনিক্যাল অডিট থেকে জানা গিয়েছে, আইসিইউতে ভর্তি হওয়া রোগীরা কমোর্বিডিটিসে আক্রান্ত।

রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনার ডি রণদীপ এই ক্রমবর্ধমান টিপিআর এবং হাসপাতালে ভর্তির পরিপ্রেক্ষিতে বিবিএমপিতে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলছেন। বেলান্দুর এবং এইচএসআর লেআউট হল সেই এলাকা যেখানে গত 10 দিনে গড়ে প্রতিদিন তিনজন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ১৯৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭৪টিতে পাঁচটিরও কম রোগী রয়েছে।

চিকিৎসকরা করোনার তুলনায় ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণের জন্য বেশি ভর্তির কথা জানিয়েছেন। কিন্তু ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগীরা স্বল্প অনুপাতেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ভাইরাল রিসার্চ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরির রিপোর্ট অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে বেঙ্গালুরুতে এইচ৩এন২ আক্রান্ত ২৩ জন রোগী রয়েছে।

রাজ্যে এখনও পর্যন্ত দুজন এইচ৩এন২ রোগীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। ৮৭ বছর বয়সী হাসান এবং বাল্লারির একজন ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তি রয়েছেন। বিবিএমপি ক্লিনিকাল অডিট করোনা ও এইচ৩এন২ কো-সংক্রমণের কোনো ঘটনা খুঁজে পায়নি। যদিও এই ধরনের সহ-সংক্রমণগুলি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, এই ধরনের কো-সংক্রমণ গোষ্ঠীগুলিকে আরও গুরুতরভাবে প্রভাবিত করবে। সেই কারণে এই ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররাও বলছেন যে তারা এই ধরনের ঘটনা খুব কমই দেখেছেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+