শিবরাত্রী-গণেশ চতুর্থীর পরে এবার রাম নবমী! মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করতে রাজধানীতে জারি নির্দেশিকা
রবিবার রাম নবমী (Ram Navami)। তার আগে মাংস বিক্রির নিষেধাজ্ঞা জারি শহর জুড়ে। বিজেপি (BJP)শাসিত কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) ব্রুহত বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকরা তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে ১০ এপ্রিল সেখানে সব মা
রবিবার রাম নবমী (Ram Navami)। তার আগে মাংস বিক্রির নিষেধাজ্ঞা জারি শহর জুড়ে। বিজেপি (BJP)শাসিত কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) ব্রুহত বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকরা তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে ১০ এপ্রিল সেখানে সব মাংসের দোকান (meat shop) এবং কসাই খানা হন্ধ থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
ব্রুহত বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকা শুক্রবার রাম-নবমী সংক্রান্ত নির্দেশিকাটি জারি করেছে।য যেখানে বলা হয়েছে ১০ এপ্রিল বেঙ্গালুরু জুড়ে মাংস বিক্রি বন্ধ রাখা হবে। এর আগে শহর জুড়ে শিবরাত্রী এবং গণেশ চতুর্থীতেও মাংস বিক্রি বন্ধ ছিল। ব্রুহত বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকার তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, নিয়ম ভঙ্গ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রুটিন অর্ডার
৩ এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তির ওপরে ভিত্তি করে বিবিএমপির প্রধান কমিশনায় গৌরব গুপ্ত এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। বিবিএমপির এক আধিকারিক জানিয়েছেন প্রতিবছর সেখানে গান্ধী জয়ন্তী, সর্বোদয় দিবস এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও রামনবমীতে মাংস এবং পশু জবাইয়ের ওপরে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠান মিলিয়ে বছরে অন্তত ৮ দিন এই ধরণের নির্দেশিকা জারি করা হয় বলেই জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। সেই কারণে এই নির্দেশিকাকে রুটিন অর্ডার বলেই বর্ণনা করা হয়েছে বিবিএমপির তরফে।
|
এর আগে দিল্লিতেও একই নির্দেশিকা
এর আগে দক্ষিণ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের তরফেও প্রায় একই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। গত ৪ এপ্রিল জারি করা নির্দেশিকায় মেয়র মুকেশ সূর্য এসডিএমসি কমিশনারকে তার সীমার মধ্যে থাকা সব মাংসের দোকান ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মেয়র বলেছিলেন দিল্লির বেশিরভাগ লোক নবরাত্রীতে রসুন-পেয়াঁজ খান না। সেই কারণে সাধারণ মানুষের অনুভূতির কথা মাথায় রেখেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করা হয়েছে। যদি রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে অনেকেই এই নির্দেশিকার বিরোধিতা করেছিলেন।
অন্যদিকে পূর্ব দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র শ্যামসুন্দর আগরওয়াল বলেছেন নবরাত্রী উৎসবের সময়ে শহরে মাংসের দোকান হন্ধ করে সম্প্রীতির প্রচার করা হবে।
মেয়র মুকেশ সূর্য সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছিলেন, যদি কেউ নির্দেশ না মানে তাহলে লাইসেন্স প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তিনি বলেছিলেন, নিয়ম মেনেই কসাই খানার লাইসেন্স দেওয়া হয়। সেখানে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দিওয়ালী, গুরু নানক জয়ন্তীতে বন্ধ রাখতে হবে। সেই কারণেই বন্ধ রাখা হয়। তবে আবেদনের পাশাপাশি দোকানেও অভিযান চালানো হয়। দেখা হয় যাতে কেউ বাসি মাংস বিক্রি না করে।

নয় দিনের উৎসবের শেষ ১১ এপ্রিল
নবরাত্রী বিন্দুদের নয় দিনের উৎসব। এবছরের ২ এপ্রিল এই উৎসব শুরু হয়েছিল। যা শেষ হবে ১১ এপ্রিল।












Click it and Unblock the Notifications