কেউ হাসিনার সম্পত্তি ভাঙবেন না! ইউনূসের হঠাৎ বোধদয় নাকি আরও বড় গেম প্ল্যান? 'বাংলা' জুড়ে জোর গুঞ্জন
Bangladesh: হঠাত বোধদয়! শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কোনও রাজনৈতিক নেতা কিংবা কর্মীর সম্পত্তি উপর আর কোনও হামলা নয়। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। বুধবার থেকে আজ শুক্রবার কাটতে চলেছে। এখনও পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ধানমান্ডির বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে হামলা এবং আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। ভাঙচুর চালিয়ে একদল উন্মত্ত জনতা উচ্ছ্বাস দেখাচ্ছে।
আর সেই ছবি গোটা বিশ্বের সামনে আসতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ইউনূস। বাংলাদেশের (Bangladesh) আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। এমনকি উপদেষ্টাদের মধ্যেও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন। ইতিমধ্যে স্মৃতি বিজড়িত মুজিবের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। ঘরে বাইরে প্রবল চাপ। এরপরেই হঠাত বোধদয়।

বিবৃতি দিয়ে দেশের মানুষকে কড়া বার্তা প্রধান উপদেষ্টার। যেখানে বলা শেখ হাসিনার পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদদের কারও সম্পত্তিতে আর কোনও হামলা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, কোনও নাগরিকের উপর যাতে হামলা না হয় সেই বার্তাও দেশের মানুষকে দিয়েছেন মহমম্মদ ইউনূস। এই বিষয়ে বার্তা দিলেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়নি ওই বার্তায়। উলটে বিক্ষোভকারীদের পাশে যে সরকার আছে তা বোঝানো হয়েছে।
বিবৃতিতে নোবেলজয়ী বলছেন, হামলাকারীদের ক্ষোভের কারণ সরকার উপলব্ধি করতে পারছে।দীর্ঘদিন হাসিনা সরকারের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। এসব তাদের এতদিনের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ। সরকার তাদের এই অনুভূতিকে বুঝতে পারছে। এমনকি ভারতে বসে হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশ সংস্কারে বাধা দিচ্ছে- তাও মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তুলছে বলে দাবি।
শুধু তাই নয়, হাসিনার এই সমস্ত কার্যকলাপের কারণেই জনগণের মনে ক্ষোভ বাড়ছে এবং এমন হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা চলছে বলেও দাবি করা হয়েছে ইউনূসের বিবৃতিতে। তবে এই ঘটনা যে বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ভুল ধারননা যাবে তা মেনে নেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি বিশ্বকে ভুল বার্তা দেবে। নতুন বাংলাদেশের সমর্থকরা তাঁদের আচরন যাতে সংযত রাখে সেই কথাও বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি বিশ্বকে ভুল বার্তা দেবে। নতুন বাংলাদেশের সমর্থকদের এমন কোনো আচরণ করা উচিত হবে না যা বর্তমানের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সময়কার তুলনা করার সুযোগ করে দেয়, তা সেই তুলনা যতই অন্যায্য হোক না কেন। তবে এই আবেদন কতটা মানা হবে তা নিয়ে সে দেশেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications