সমর্থন করে না ভারত! অস্বস্তিতে শেখ হাসিনা, ভারতের মাটিতে বঙ্গবন্ধু কন্যার দিন ফুরাচ্ছ?
India-Bangladesh Unrest: ভারতে থেকে বাংলাদেশের মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করছেন শেখ হাসিনা (Ex Prime Minister Sheikh Hasina)। আর তা কখনই সমর্থন করছে না ভারত। নয়াদিল্লির এক গোপন আস্থানায় রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে থেকেই ভার্চুয়াল মাধ্যমে কখনও লন্ডন তো কখনও আমেরিকার সভায় যোগ দিচ্ছেন। লাগাতার বাংলাদেশের পরিস্থিতির জন্য ইউনূস সরকারকে আক্রমণ শানাচ্ছেন।
এমনকি গণহত্যার পিছনে ইউনূসের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে বলেও মন্তব্য করেছেন। যা নিয়ে আগেই বিদেশসচিব পর্যায়ের বৈঠকে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রির কাছে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বাংলাদেশ। আর এরপরেই শেখ হাসিনার বিবৃতিকে ভারত সমর্থন করছে না তা জানানো হয়েছে (India-Bangladesh Unrest)।

বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং (স্থায়ী) কমিটির মুখোমুখি হন বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রী। কার্যত সেখানে এহেন অবস্থানের বিষয়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে বলে দ্য হিন্দুর প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে (India-Bangladesh Unrest)।
ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সাংসদ শশী থারুরের নেতৃত্বাধিন বিদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির মুখোমুখি হন বিদেশসচিব। ঢাকায় কী আলোচনা হল এবং সে দেশের পরিস্থিতি বিস্তারিত কমিটির সামনে তুলে ধরা হয়। ভারত যে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সুন্দর একটা সম্পর্ক গড়তে চায় তা জানানো হয় কমিটিতে। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দল বা সরকারের সঙ্গে যে নয় তাও জানানো হয়।
আর তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। একাংশের মতে, তাহলে কি সরকার বাংলাদেশ নিয়ে বিদেশ নীতিতে বদল আনছে। এমনকি আওয়ামী লিগ কিংবা শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যেমজবুত তা স্পষ্ট। তবে বিদেশ সচিবের বক্তব্যে অনেক কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এমনকি আওয়ামী লিগ এবং হাসিনার সঙ্গেও কি দূরত্ব রাখতে চাইছে ভারত? তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে।
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, ভারতে থেকে শেখ হাসিনাকে কোনও রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি ভারতে থেকে যে বক্তব্য বঙ্গবন্ধু কন্যা রাখছেন তাও ভারত অনুমোদন দেয় না বলেও জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, অন্য কোনও দেশের অ্যাভন্তরীন বিষয় নিয়ে ভারত হস্তক্ষেপ করে না বলেও বাংলাদেশের অন্তবরতী সরকারকে বার্তা দেওয়া হয়েছে বলেও কমিটিকে জানিয়েছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী।
বলে রাখা প্রয়োজন, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভারতে থেকে শেখ হাসিনা যা বক্তব্য রাখছে তা নিয়ে সে দেশের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বাংলাদেশ। তাতে সরকারের পক্ষে রায় দিয়ে আদালত জানায় যে, হাসিনার বক্তব্য দেখানো যাবে না সে দেশে। যা আছে তা মুছে দেওয়ার কথাও বলা হয়।












Click it and Unblock the Notifications