Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দীপাবলিতে সাধারণ বাজি ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা, সময় মেনেই ফাটান ‘পরিবেশ বান্ধব বাজি’

দীপাবলি আসতে বেশি বাকি নেই। চলতি বছরের ২৪ অক্টোবর দেশজুড়ে পালিত হবে দীপাবলি উৎসব। আর এই সময়ে চারিদিকে শুধু আলোর রোশনাই দেখা যায়। দীপাবলির কয়েক দিন আগে থেকে কালি পটকা, বোম, ফুলঝুড়ি ফাটাতে দেখা যায় অনেকেই। যদি চলতি বছরে ইতিমধ্যে সরকার অনেক বাজি কিন্তু নিষিদ্ধ করেছে। তার একটাই কারণ এত বাজি ফাটানোর জন্য পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। সেটাই আটকাবার জন্য এমন ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে সরকার। তবে এটি কিন্তু শুধু মাত্র কলকাতায় নয়, দেশজুড়ে অনেক জায়গাতেই এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যদি সরকারের নিধারিত নিয়ম কেউ না মানেন তাহলে সেই ব্যক্তির জরিমানা পর্যন্ত হতে পারে। তবে সেই জরিমানার টাকা কিন্তু মোটেও কম নয়। ২০০ টাকা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হতে পারে। তবে এখানেই শেষ নয় সেই ব্যক্তির তিন বছরের জেলও হতে পারে। তবে পরিবেশের কথা ভেবে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে সরকার পটকা ও আতশ বাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা, জারি করা হয়েছে। তবে ব্যবহার করা যাবে পরিবেশ বান্ধব বাজি।’দেখুন দেশের কোন কোন জায়গায় কী নিয়ম পালন করার কথা বলা হয়েছে।

দিল্লি

দিল্লি

রাজধানী দিল্লিতে দীপাবলির সময় সব ধরনের বাজি বিক্রি করা যাবে না, এমনই ঘোষণা করেছে সেখানকার সরকার। কারণ পটকা উৎপাদন এবংবিক্রি করা কিন্তু একদমই নিষিদ্ধ। যদি এমন কেউ করেন তাহলে সেই ব্যক্তির ২০০ থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। শুধু তাই নয় তিন বছরের জন্য হতে পারে জেলও। দিল্লির পরিবেশ মন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির নেতা গোপাল রায় জানিয়েছেন, দীপাবলি পর্যন্ত যে সকল ব্যক্তি পটকা ফটাবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার। সেই সঙ্গে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৬৮ অধীনে তাদের টাকা জরিমানা দিতে হবে। এবং যাদের যাদের পটকা ফাটাতে দেখা যাবে তাদের ২০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। সেই সঙ্গে ৬ মাস জেলে থাকতে হবে।

 মুম্বই

মুম্বই

দিল্লি ছাড়াও মুম্বইতেও পটকা ফাটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যে সকল ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া পটকা বিক্রি করবেন। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুম্বই পুলিশ। তবে পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটাতে পারবেন শুধু।

 চেন্নাই

চেন্নাই

দীপাবলির কারণে প্রতিবছরই চেন্নাইতে নানা ধরনের বাজি বিক্রি হয়। তবে চলতি বছরে দীপাবলিতে পটকা ফাটানো নিষিদ্ধ করেছে সেখানকার পুলিশ , কারণ সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুসারে, শুধুমাত্র পটকা ও আতশবাজি ফাটানোর কথা বলা হয়েছে। তাও ফাটানোর একটি নির্ধারিত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। দু'ঘণ্টার বাজি ফাটাতে পারেন সাধারণ মানুষ। সকাল ছয়টা থেকে সাতটা এবং সন্ধ্যা সাতটা থেকে আটটা পর্যন্ত। অন্য সময় বাজি ফাটানো যাবে না। পাশাপাশি চেন্নাইয়ের অনেক জায়গায় আতশবাজিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেসব জায়গায় পেট্রোল ট্যাঙ্ক, গাড়ি, পার্কিংয়ের জায়গা রয়েছে তার আশেপাশে পটকা ফাটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেসব দোকানে পরিবেশ বান্ধব বাজি' বিক্রি হবে সেই সকল দোকানের আশেপাশে ধূমপান করা নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

 জয়পুর

জয়পুর

অন্যান্য অনেক দেশে পটকা ফাটানো নিষিদ্ধ করলেও জয়পুরে কিন্তু ১০৭ টি দোকানদারকে পটকা বিক্রির জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। যারা পটকা কিনতে চাইবেন তাঁরা সেই সকল দোকান থেকেই কিনতে পারবেন।

 চন্ডিগড়

চন্ডিগড়

দীপাবলির দিন সেখানকার বাসিন্দারা রাত আটটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত পটকা ফাটাতে পারবেন এমনই ঘোষণা করেছেন সেখানকার সরকার।

হরিয়ানা

হরিয়ানা

সেখানকার সরকার পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটানো যাবে বলে জানিয়েছেন। তবে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর খাট্টা আতশবাজি বিক্রি কেনার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এগুলি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছেন তিনি। কারন তার মতে এগুলি ফাটাতে পরিবেশ ক্রমশ দূষিত হতে থাকে। হরিয়ানার হরিয়ানা স্টেট পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড ও ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে এমনই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন সেখানকার সরকার।

কলকাতা

কলকাতা

কিউ আর কোড সহ পটকা এবং আতশবাজি ফাটাতে নিষিদ্ধ করেছে কলকাতার সহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গা। তবে যে সকল ব্যক্তি সরকারের কথা অমান্য করবেন তাদের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই নজরদারি চালাতে অনেক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 পাটনা

পাটনা

সব জায়গার মতোই বিহার, পাটনা, মুজাফরপুরেও আতশবাজি বিক্রি এবং উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাজি না ফাটানোর পরামর্শ দিয়েছেন সেখানকার সরকার। তবে সেখানকার বাসিন্দারা পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটাতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

উত্তরপ্রদেশ

উত্তরপ্রদেশ

এখানকার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পরিবেশের কথা ভেবে সকল দিক বিবেচনা করে টোটকা বিক্রি করতে এবং ফাটাতে কোনরকম বাধা নিষেধ রাখেননি। তবে আতশবাজির উপর ও তিনি কিন্তু কোন নিষেধাজ্ঞাও রাখেননি তিনি।

 জম্বু

জম্বু

এখানকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন ডিএম অফিস যদি অনুমতি দেন তবেই জম্বুর যেকোনোও জায়গায় আতশবাজি, পটকা ফাটানো যাবে না। নচেৎ সেই জায়গায় পটকা, আতশবাজি ফাটানো বা বিক্রি করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছেন তারা।

পুনে

পুনে

পুনে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আতশবাজির স্টল রাখলেও একটি কঠোর নীতি রেখেছেন। সেই নীতি মেনে চললে তবেই সেখানে আতশবাজি বিক্রি করা যাবে। রাস্তা, ফুটপাত অর্থাৎ যেসব জায়গায় কখনোই আতশবাজি স্টল করে বিক্রি করা যাবে না।

 আহমেদাবাদ

আহমেদাবাদ

অন্যান্য সব জায়গার মতোই আহমেদাবাদে আতশ বাজি বিক্রি ও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সেখানকার সরকার। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে রাত আটটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত দুঘন্টা, বাজি ফাটাবার অনুমতি দিয়েছে সেখানকার সরকার।

ওডিশা

ওডিশা

ভুবনেশ্বর অর্থাৎ ওড়িশা সরকার পটকা বিক্রি ও ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে । এই পটকা বিক্রি বা ব্যবহারের জন্য কোনরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি ওড়িশা সরকার। কারণ তাদের মতে দীপাবলি হল আলোর উৎসব। এই সময় আলোয় ভরে উঠুক পুরো দেশ তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+