Ayodhya Ram Mandir: খুলে গেল অযোধ্যার রামমন্দির যাওয়ার নতুন পথ, মনে করিয়ে দেবে লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্ত
মন্দিরের কাজ শেষ হতে এখনও কয়েক মাস বাকি। তবে তার আগেই খুলে দেওয়া হল অযোধ্যার রামমন্দিরের নতুন প্রবেশ পথ। অত্যাধুনিক ভাবে তৈরি করা হয়েছে সেই পথ। অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরির লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্ত মনে করিয়ে দেবে সেই পথ।
স্মৃতির সরণী দিয়েই রামলাল্লার মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন ভক্তরা। সূত্রের খবর ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসেই নাকি খুলে যাবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের দরজা। সেদিনের উৎসব যে গোটা দেশবাসীর মনে রেখে দেওয়ার মতো করে করা হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। মোদী সরকার পরিকল্পনা করেই ২০২৪-র লোকসভা ভোটের আগেই মন্দিরের দরজা সাধারণের জন্য খুলে দেবেন তাতে আর কোনও দ্বিমত নেই।

যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে মন্দির নির্মাণের কাজ। তার আগে তৈরি হয়ে গিয়েছে নতুন পথ। আগে যে পথে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারতেন পুন্যার্থীরা। সেই পথে আর প্রবেশ করা যাবে না। পুন্যার্থীদের জন্য নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে পথটি। আগে হনুমানগরহি মন্দির থেকে শুরু হত পথ। দশরথ মহল, রাম কাচেরি মন্দির, রং মহল বারির হয়ে রামলাল্লার মন্দিরে প্রবেশ করতে হত।
এবার আর সেই পথে যাবেন না পুন্যার্থীরা। এবারে অকেবারে নতুন রুট তৈরি করা হয়েছে। আর সেই পুরো পথ জুড়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে রামমন্দির আন্দোলনের প্রতিটি মুহূর্তকে। ১৯৪৯ সালের সরকারি নির্দেশিকার বিবরণ থাকবে। যেখানে বলা হয়েছিল কোনও মুসলিম এই বিতর্কিত জায়গায় যেতে পারবে না। পৃথক পথে হিন্দু পুন্যার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন মন্দিরে। ১৯৮৬ সালে এলাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশিকাও দেখতে পাওয়া যাবে। যাতে বলা হয়েছিল মন্দিরের দরজা সকলের জন্য খুলে দেওয়া হল। ১৯৯০ সালে মন্দির তৈরি আন্দোলনের যাবতীয় তথ্যও বর্ণনা করা হয়েছে সেই পথে।
৫৬০ মিটার দীর্ঘ এই মন্দিরের পথ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৩৯ কোিট টাকা। এখন বিড়লা ধরমশালা থেকেই রামন্দিরের পথে যাত্রা শুরু করতে পারবেন পুন্যার্থীরা। কোনও রকম হুড়োহুড়ি ছাড়াই মন্দিরের পথে প্রবেশ করতে পারবেন সকলে। নতুন রাস্তায় রেস্ট রুম থেকে শুরু করে পানীয় জলের বন্দোবস্ত, পোশাক বদলের ঘর, মেডিকেল ক্যাম্প। সবরকম বন্দোবস্ত থাকছে।












Click it and Unblock the Notifications