পুলওয়ামার জঙ্গি হামলায় বদলা চাই, পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ চাইছে ৩৬ শতাংশ মানুষ, দাবি সমীক্ষায়

১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল প্রেমদিবস। কিন্তু, ভারতবাসীর মন এমন একটা দিনে এতটাই নৃশংসভাবে রক্তাক্ত হয়েছে যে উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে দেশের পরিস্থিতি।

১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল প্রেমদিবস। কিন্তু, ভারতবাসীর মন এমন একটা দিনে এতটাই নৃশংসভাবে রক্তাক্ত হয়েছে যে উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে দেশের পরিস্থিতি। বদলার আগুনে মনে মনে জ্বলছে মানুষ। এই নিয়ে রাজনীতিরও শেষ নেই। দেশের তাবড় তাবড় রাজনীতিকরা বলেছিলেন পুলওয়ামা আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে সবাই ঐক্যবদ্ধ। বিশ্বের দুয়ারেও সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, দুন দুই ধরে এই নিয়েও বিজেপি এবং বিজেপি বিরোধী দলগুলির মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। বিজেপি বিরোধীদের অভিযোগ, এই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বন্ধ হোক। কিন্তু, ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া পোল-এ এই মুহূর্তে দেশের সঠিক মনোভাবটা উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া পোলে দাবি করা হয়েছে এই মুহূর্তে দেশের ৩৬ শতাংশ মানুষ চাইছেন পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে। মোট ২৯টি রাজ্যে এই মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এই জনমত সমীক্ষায় আর কী কী তথ্য উঠে এসেছে তা নিম্নলিখিত রূপ-

মোদীর নেতৃত্বে হোক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই

মোদীর নেতৃত্বে হোক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া পোলে ৪৯ শতাংশ মানুষ নরেন্দ্র মোদীকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়ায়ের নেতা হিসাবে বেছে নিয়েছেন। এর অনেক পিছনে রয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি পেয়েছেন মাত্র ১৫ শতাংশ সমর্থন। মনমোহন সিং পেয়েছেন মাত্র ৩ শতাংশ সমর্থন। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মায়াবতী, যোগী আদিত্যনাথ, অখিলেশ যাদব-দেরকে ১ শতাংশ মানুষ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নেতা হিসাবে চেয়েছেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইেয় নেতা হিসাবে দলগতভাবে বিজেপি, কংগ্রেসের পক্ষে সমর্থন পড়েছে ৩ শতাংশ। তৃতীয় ফ্রন্ট পেয়েছে ১ শতাংশ। কোনও উত্তর দিতে পারেনি ২১ শতাংশ মানুষ।

মোদীর পাকিস্তান ও কাশ্মীপ নীতি

মোদীর পাকিস্তান ও কাশ্মীপ নীতি

৪৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন নরেন্দ্র মোদীর পাকিস্তান ও কাশ্মীর নীতি একদম ঠিক দিশাতেই আছে এবং মোদীর নীতি তাঁরক পূর্বতন ইউপিএ জামানার থেকে অনেকবেশি শক্তিশালী। ইউপিএ জামানায় পাকিস্তান ও কাশ্মীর নীতি ঠিক ছিল-র পক্ষে মত দিয়েছেন ২২ শতাংশ মানুষ। পাকিস্তান ও কাশ্মীর নীতি-কে বাজপেয়ী সরকারের পক্ষে মত পড়েছে ১২ শতাংশ।

সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নয় যুদ্ধ

সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নয় যুদ্ধ

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়াকেই শ্রেয় বলে মনে করছেন সবচেয়ে বেশি মানুষ। ৩৬ শতাংশ মানুষ চাইছেন পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার বদলা নিতে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ হোক। ২৩ শতাংশ মানুষ দিয়েছেন সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে। ১৮ শতাংশ মানুষ চাইছেন আমেরিকার কায়দায় পাকিস্তানে ঢুকে মাসুদ আজাহার-কে খতম করা হোক। অর্থনৈতিক অবরোধ ও কূটনীতির মাধ্যমে পাকিস্তানকে একঘরে করার পক্ষে মত দিয়েছেন ১৫ শতাংশ মানুষ। জানেন না বলে মত দিয়েছেন ৮ শতাংশ।

পুলওয়ামার হামলার পিছনে কারা

পুলওয়ামার হামলার পিছনে কারা

পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে পাক সেনাবাহিনী এবং পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-কে দায়ী করেছে ৩০ শতাংশ মানুষ। ১৩ শতাংশ মানুষ দায়ী করেছেন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনকে। ১৯ শতাংশ মানুষ দায়ী করেছেন পাকিস্তানের প্রাইম মিনিস্টার ইমরান খান-কে। ২৫ শতাংশ জইশ-আইএসআই-পাক সেনা-এবং ইমরান খানের মিলিত ষড়যন্ত্রে পাকিস্তানকে পুলওয়ামা হামলার পিছনের মূল চক্রান্তকারী বলে দায়ী করেছেন।

২০১৬-র সার্জিক্যাল স্ট্রাইক

২০১৬-র সার্জিক্যাল স্ট্রাইক

২০১৬ সালে হওয়া সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কি সঠিক পদক্ষেপ ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে ৫৮ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন পাক-মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ-কে একটা মোক্ষক জবাব দেওয়া গিয়েছে। ২৫ শতাংশ মানুষ এতে সহমত পোষণ করেননি। তবে এই বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে 'জানি না'। এই 'জানি না'-তে ভোট পড়েছে ৫৭ শতাংশ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+