অসমে পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা, গণধর্ষণে অভিযুক্তের 'অস্বাভাবিক' মৃত্যু, নিখোঁজ দুই
অসমের ধিং এলাকায় নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগে প্রধান অভিযুক্তের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিন সকালে পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রধান আসামি তফাজুল ইসলাম পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে মারা গিয়েছে।
নগাঁও জেলার পুলিশ সুপার স্বপ্ননীল ডেকা এএনআইকে জানিয়েছেন, শুক্রবার পুলিশ এই মামলায় তফাজুলকে ইসলামকে গ্রেফতার করে। পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, শুক্রবার রাতে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রধান অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে এবং পুকুরে ঝাঁপ দেয়। তারপরেই পুলিশ কর্মীরা খোঁজ করতে থাকেন। এদিন সকালে এসডিআরএফ পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার করেছে।

সঙ্গে থাকা অন্য দুই অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশ তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক।
কী হয়েছিল
গত ২২ অগাস্ট সন্ধেয় ধিং এলাকায় ১৪ বছরের এক নাবালিকা টিনশন ক্লাস থেকে বাড়ি ফেরার সময় তিনজন তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ধিং এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দেয়। স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।
কী বলছেন ডিজি
অসম পুলিশের ডিজি জিপি সিং শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন, সিনিয়র পুলিস কর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।
কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী
ঘটনার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, যখন মহিলাদের বিরুদ্ধে অত্যাচার হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সংবাদ মাধ্যমকে উদ্দেশেয করে শর্মা বলেছেন, তিনি শুধু একটা কথা বলতে চান, যখন মহিলার বিরুদ্ধে কোনও নৃশংস ঘটনা ঘটে, তখন আমাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। সরকার দ্রুত ব্যবস্তা নিচ্ছে, সাধারণ মানুষ যেন তা দেখতে চায়। সেখানে সরকার কোনও শিথিলতা দেখালেই মানুষ ক্ষুব্ধ হয়।
তিনি আরও বলেন, এই বছরের লোকসভা নির্বাচনের পরে, একটি সম্প্রদায়কে অপরাধমূলক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, ধিং-এর ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে. এই ঘটনায় এক হিন্দু নাবালক জড়িত বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
রাস্তায় নামে সাধারণ মানু।
দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার রাস্তায় নামে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ। ছাত্র সংগঠনের তরকে বনধের ডাক দেওয়া হয়। দোকানদাররা শাাটার নামিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন। সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।












Click it and Unblock the Notifications