গুজরাত দাঙ্গার পর মোদীকে নিয়ে অটলবিহারী কোন চরম পদক্ষেপ নিচ্ছিলেন! ফাঁস করলেন যশবন্ত
২০০২ সালে গোটা দেশ এক অগ্নিদগ্ধ অধ্যায় দেখেছে গুজরাতে। হিংসা, হানাহানি,বিদ্বেষের আগুনে সেই সময়ে জ্বলে উঠেছিল গুজরাত।
২০০২ সালে গোটা দেশ এক অগ্নিদগ্ধ অধ্যায় দেখেছে গুজরাতে। হিংসা, হানাহানি,বিদ্বেষের আগুনে সেই সময়ে জ্বলে উঠেছিল গুজরাত। সেই সময়কালে দিল্লির মসনদে প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী, আর গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রীর তখতে তখন নরেন্দ্র মোদী। গুজরাত দাঙ্গার সময়ে বিজেপির অন্দরমহলে তখন মোদীকে নিয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছিল , তা ফাঁস করে দিলেন এককালে বিজেপির দাপুটে নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিং।

কোন গোপন কথা ফাঁস করলেন যশবন্ত?
গুজরাতে দাঙ্গা পরবর্তী সময়ে সেখানের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মোদীকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। গুজরাতের ঘটনা ঘিরে তখন এতটাই ক্ষুব্ধ ছিল দিল্লি। ২০১৯ সালের নির্বাচনী প্রচারে ভোপালের এক সভায় একথা জানান বিজেপি মন্ত্রী সভার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিং।

কী ঠিক করে ফেলেছিলেন বাজপেয়ী?
গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মোদীকে সরিয়ে ফেলার বিষয়ে অটলবিহারী বাজপেয়ী এতটাই বদ্ধ পরিকর ছিলেন যে, তিনি ঠিকই করে ফেলেছিলেন , মোদী পদত্যাগ না করলে তিনি গুজরাতের সরকার ভেঙে দেবেন। ভোপালেক নির্বাচনী প্রচারে এমনই দাবি করেছেন যশবন্ত সিনহা।

বাজপেয়ী-মোদী-আদবানী সমীকরণ
যশবন্ত সিনহা জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অটলবিহারী যখন ক্ষুব্ধ ছিলেন মোদীর ওপর, তখন মোদীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন লালকৃষ্ণ আদবানী। আদবানী অটলকে সেই সময় সাফ জানিয়ে দেন , গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে যদি মোদীকে সরানো হয়, তাহলে তিনিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা থেকে ইস্তফা দেবেন।

এরপর কী ঘটে যায়?
একমাত্র লালকৃষ্ণ আদবাবনীর কথাতেই চরম পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। শেষে গুজরাতে মোদীর মুখ্যমন্ত্রিত্বের গদি রক্ষা পায় লালকৃষ্ণ আদবানীর জন্য। এমনই দাবি করে ,,আইএনএস বিরাট বিতর্ক ঘিরে যশবন্ত সিনহা মোদীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।












Click it and Unblock the Notifications