Assembly Elections Results 2023: চার রাজ্যে মহিলা বিধায়কের সংখ্যা শোচনীয়, শিক্ষা ও বয়সের হারে কে এগিয়ে?
Assembly Elections Results 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, রাজস্থানে মহিলা বিধায়কের সংখ্যা কমে গিয়েছে।
ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় সংখ্যার নিরিখে মহিলা বিধায়ক সামান্য বাড়লেও তা মোট বিধায়কের এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে অনেকটাই কম।

মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস হওয়ার পর এই প্রথম কোনও বিধানসভা নির্বাচন হলো। অনেক রাজ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন মহিলা ভোটাররা। রাজনৈতিক দলগুলিও নারীশক্তির ভূমিকার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। কিন্তু বিধানসভায় প্রতিনিধিত্বের নিরিখে মহিলা বিধায়কের সংখ্যা শোচনীয় জায়গাতেই রয়েছে।
পিআরএস লেজিসলেটিভ রিসার্চের তথ্য বলছে, ছত্তিশগড়েই শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি মহিলা বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে নির্বাচিত বিধায়কদের ২১ শতাংশ মহিলা। ২০১৮ সালে মহিলা বিধায়কের সংখ্যা ছিল ১৩ (মোট বিধায়কের ১৪ শতাংশ), সেটাই এবার বেড়ে হয়েছে ১৯। তেলেঙ্গানায় মহিলা বিধায়কের সংখ্যা এবার ৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১০, যা মোট বিধায়কের ৮ শতাংশ।
রাজস্থানে ২০১৮ সালে মহিলা বিধায়কের সংখ্যা ছিল ২৪, তা এবার কমে হয়েছে ২০। রাজস্থান বিধানসভায় কখনও মহিলা বিধায়কের সংখ্যার শতকরা হার ১৫ শতাংশের বেশি যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ২০১৩ সালে মহিলা বিধায়কের সংখ্যা ছিল ৩০। তা ২০১৮ সালে কমে হয় ২১। এবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় ২৭ জন মহিলা বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। .
বেশিরভাগ বিধানসভাতেই বয়স্ক বিধায়কের সংখ্যা বেড়েছে। ছত্তিশগড়ে ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বের বিধায়ক-সংখ্যা নির্বাচিত বিধায়কদের ৪১ শতাংশ। ২০০৮ সালে সেটি ছিল ১৬ শতাংশ। ২০১৩ সালে তা আরও বেড়ে হয় ২৯ শতাংশ, ২০১৮ সালে হয় ৪০ শতাংশ, এবার আরও বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫০ শতাংশ।
মধ্যপ্রদেশে ৫৫ বছরের বেশি বয়সের বিধায়কের শতকরা হার ৫০ শতাংশ। ২০১৮ সালে তা ছিল ৩৮ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৩০ শতাংশ, ২০০৮ সালে ২১ শতাংশ। রাজস্থানে ২০১৮ সালে ৫৫ বছরের বেশি বয়সের বিধায়কের হার ছিল ৪৮ শতাংশ, এবার তা কিছুটা কমে হয়েছে ৪৬ শতাংশ। তেলেঙ্গানার ক্ষেত্রে এবার বিধায়কদের গড় বয়স হয়েছে ৫৬।
তেলেঙ্গানায় ২০১৮ সালে ৫৫ বছরের বেশি বিধায়ক যেখানে ছিলেন মোট বিধায়ক সংখ্যার ৩৯ শতাংশ, সেটাই এবার বেড়ে হলো ৬০ শতাংশ। ছত্তিশগড়ে গ্র্যাজুয়েট বিধায়কের শতকরা হার ৬৯ শতাংশ থেকে হয়েছে ৫৯ শতাংশ। এই নিরিখে মধ্যপ্রদেশে গ্র্যাজুয়েট বিধায়কের শতকরা হার ৪৪ শতাংশ থেকে ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটের হার ২৭ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৫ শতাংশ।
রাজস্থানে বেশিরভাগ বিধায়ক গ্র্যাজুয়েট। ২০১৮ সালে অর্ধেকের বেশি মহিলা বিধায়ক এবং এক-চতুর্থাংশ পুরুষ বিধায়ক স্নাতকোত্তর ছিলেন। সেই হিসেব এবারও বজায় রয়েছে। তেলেঙ্গানায় ৭২ জন বিধায়ক গ্র্যাজুয়েট। তবে সেই সংখ্যা ২০১৮ সালের ভোটে ছিল ৮৫।












Click it and Unblock the Notifications