Assembly Elections 2024: মৌলিক অধিকার তো আছেই, মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের প্রচারে নতুন স্লোগান ঘিরে চর্চা
আগামী ২০ তারিখ মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোট। অন্যদিকে ঝাড়খণ্ডেও শেষ দফার নির্বাচন। ভোটবাজারে তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে৷ প্রচার চলছে তার থেকেও বেশি। সেই ভোটে এবার স্লোগান নিয়েও চর্চা চলছে। মানুষের জীবনের মৌলিক অধিকার নিয়ে চলছে স্লোগান।
সড়ক, বিদ্যুৎ, পানীয় জল দুই নির্বাচনের অন্যতম ইস্যু। সেই ইস্যুতেই এবার স্লোগান তৈরি হয়েছে। মানুষের জীবনের উন্নতির লক্ষ্যে ভোটবাজারে শাসক - বিরোধী দুই শিবিরই স্লোগান তৈরি করেছে। এছাড়াও আরও একাধিক ইস্যুতে তৈরি স্লোগান নিয়ে চর্চা হচ্ছে।

ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, মৌলিক অধিকার সম্পর্কে স্লোগান অতীতেও নির্বাচনের সময় হয়েছে। কিন্তু এখনকার সময় আঞ্চলিক ইস্যুকে আরও বেশি মাত্রায় সামনে রাখা হয়। সেই ভিত্তিতেই তৈরি হয় স্লোগান। শাসক ও বিরোধী দলগুলি একই ভাবে স্লোগানে বিশ্বাস করে। গত ২০ বছরে প্রচার ও স্লোগানেও বদল এসেছে। এমনই অনুমান করা হচ্ছে।
২০০৪ সালে নির্বাচনে 'শাইনিং ইন্ডিয়া' স্লোগান হয়। অটল বিহারী বাজপাইয়ের উন্নয়ন প্রকল্প ও কাজ সামনে রাখা হয়েছিল। ২০০৯ সালের কংগ্রেস আমলে 'ভারত নির্মাণ' স্লোগান প্রচার হয়। ২০১৪ সালে 'আব কী বার, মোদী সরকার' স্লোগান ওঠে। কর্মসংস্থান, কালো টাকা ফিরিয়ে আনার বিষয়েও স্লোগান ওঠে। 'ফির এক বার মোদী সরকার', 'হর হর মোদী, ঘর ঘর মোদী', 'মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়' স্লোগানও বিজেপি ২০১৯ সালে প্রচার করেছে।
২০২৪ সালের মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খন্ড নির্বাচনে আরো একাধিক কিছু সামনে আসছে। বিনামূল্যে বিদ্যুতের প্রতিশ্রুতি উন্নতির কথা বলা হচ্ছে পাশাপাশি জাতিভিত্তিক আদমশুমারির প্রচারও চলছে। তাই নিয়েও চলছে রাজনৈতিক চর্চা৷ মহারাষ্ট্রে যোগী আদিত্যনাথের স্লোগান নিয়ে জোর বিতর্ক দানা বাঁধে৷ 'বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে' স্লোগান দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী৷ মহারাষ্ট্রে বিজেপি এই স্লোগান দিয়েছে। তবে শরিক দলগুলির মধ্যে মিশ্র সাড়া পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যোগীর স্লোগানের পক্ষে টুইট করেন। সেই স্লোগানকে শেয়ার করে 'এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়' স্লোগান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওবিসি, এসসি এবং এসটিকে বিভক্ত করার চেষ্টার অভিযোগ করেছে বিজেপি।
যদিও কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের অভিযোগ, বিজেপি গণতন্ত্রকে ভেঙে ফেলতে চায়৷ বিজেপির বিরুদ্ধে পালটা স্লোগান তুলেছেন তিনি৷ ঝাড়খণ্ডের প্রচারে এই কংগ্রেস নেতা নতুন স্লোগান তোলেন। 'ডরোগে তো মরোগে' স্লোগান তুলেছেন তিনি৷
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) 'সজাগ রহো' একটি স্লোগান তুলেছে। গেরুয়া শিবিরকে একজোট করার জন্য এই বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোন স্লোগান মানুষের মন জয় করবে? কারা মানুষের মনে জায়গা পাবে এই দুই রাজ্যে? সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে ২৩ তারিখ পর্যন্ত।












Click it and Unblock the Notifications