বিজেপির 'গ্রাস' থেকে নবনির্বাচিত বিধায়কদের রক্ষার পরিকল্পনা! ৪ রাজ্যে ৭ নেতাকে দায়িত্ব কংগ্রেসের
কংগ্রেসের (Congress) শীর্ষ নেতৃত্বের স্মৃতিতে টাটকা ২০১৭-র গোয়া বিধানসভার ফলাফল (assembly election result) এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি। এবার তাই আগে থেকেই ব্যবস্থা চার রাজ্যের জন্য। উত্তর প্রদেশে যে তারা কোনও রকম দাগ ফ
কংগ্রেসের (Congress) শীর্ষ নেতৃত্বের স্মৃতিতে টাটকা ২০১৭-র গোয়া বিধানসভার ফলাফল (assembly election result) এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি। এবার তাই আগে থেকেই ব্যবস্থা চার রাজ্যের জন্য। উত্তর প্রদেশে যে তারা কোনও রকম দাগ ফেলতে পারবে না, তা একরকম নিশ্চিত ধরে নিয়ে আর বাকি চার রাজ্য মনিপুর, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়ায় ৭ নেতাকে পাঠিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বে। লক্ষ্য ঘরে বিজেপির (bjp) চুরি রুখে দেওয়া।

পরিস্থিতির মোকাবিলায় কংগ্রেস হাইকমান্ড
দেশের ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। অধিকাংশ রাজ্যেও ক্ষমতায় রয়েছে তারা। তাদের ক্ষমতার সঙ্গে এঁটে উঠতে কংগ্রেস হাইকমান্ডের তরফে নির্বাচন হওয়া পাঁচ রাজ্যের মধ্যে চার রাজ্যে ক্ষমতাবান নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মোকাবিলায় কংগ্রেস বহুস্তরীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা রাখতে চলেছে।
দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে ইতিমধ্যেই দলের প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলা হয়েছে। ফল বেরনোর আগেই তাঁদেরকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর পরিকল্পনাও পাকা। বিজেপির ঘোড়া কেনা-বেচা রুখতে পরিষদীয় দলনেতা যাতে আগেই সরকার গঠনের দাবি করতে পারেন, সেই পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

গোয়ার দায়িত্ব যাঁদের হাতে
নির্বাচনের আগে থেকেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে বর্ষীয়ান নেতা পি চিদাম্বরমকে গোয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তার সঙ্গে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কর্নাটকে দলের প্রধান ডিকে শিবকুমারকে। এছাড়াও মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী সুনীল কেদারকেও দলের তরফে গোয়ায় পাঠানো হয়েছে।
কংগ্রেসের স্মরণে রয়েছে ২০১৭ সালের কথা। সেবার ৪০ টি আসনের মধ্যে ১৭ টি আসনে জয়ী হয়েও কংগ্রেস সেখানে সরকার গঠন করতে পারেনি। বিজেপি কোনও সময় নষ্ট না করে ১৩ আসনে পেয়ে সেখানে সরকার গঠনের দাবি করে এবং পরবর্তী সময়ে সরকার গঠন করে।

কংগ্রেসের পরিকল্পনা
গোয়ায় পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকেই সেখানকার ছোট দলগুলি, যেমন তৃণমূল কংগ্রেস, আপ এবং এমজিপির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কংগ্রেসের তরফে এমনটাও জানানো হয়েছে, তারা সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও ছোট দলগুলিকে সরকারের অংশ করবে। চিদাম্বরম বলেছেন, যারা বিধায়কদের চুরি করে তারা আশপাশের রয়েছে। এবার তাদের ঘরে চুরি হতে দেবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। গণনা পরবর্তী কৌশল চূড়ান্ত করতে কংগ্রেসের তরফে পর্যবেক্ষকরা মঙ্গলবারের পরে বুধবারেও নৈশভোজ সারবেন প্রার্থীদের সঙ্গে। সব বিধায়কদের একসঙ্গে রাখারও বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

তিন রাজ্যে যাঁদের পাঠানো হয়েছে
কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে উত্তরাখণ্ডের জন্য পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হয়েছে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল এবং হরিয়ানার নেতা দীপেন্দর সিং হুডাকে। কংগ্রেসের দাবি এক্সিট পোলে উত্তরাখণ্ড নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তাদের দাবি উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস সরকার গড়ার মতো জায়গায় রয়েছে। কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, যদি উত্তরাখণ্ডে ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে বিধায়কদের নিয়ে যাওয়া হবে রাজস্থানে।
প্রবীন কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন এবং পবন খেরাকে পাঠানো হয়েছে চণ্ডীগড়ে, পঞ্জাবের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য। অন্যদিকে ছত্তিশগড়ের মন্ত্রী টিএস সিং দেও এবং সাধারণ সম্পাদক মুকুল ওয়াসনিককে পাঠানো হয়েছে মনিপুরে।












Click it and Unblock the Notifications