'আদালতে দেখা হবে', মনীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলার হুঁশিয়ারি অসমের মুখ্যমন্ত্রীর
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা শনিবার দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা শনিবার দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অসম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর স্ত্রীর সংস্থা ও ছেলের ব্যবসায়িক অংশীদারকে করোনার পিপিই কিট সরবরাহ করার জন্য চুক্তি করেছিলেন বলে অভিযোগ তোলেন আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই মামলার হুঁশিয়ারি হিমন্তের।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা টুইটে লেখেন, ''উপাদেশ দেওয়া বন্ধ করুন। আমি আপনাকে গুয়াহাটিতে টেনে আনব। আপনার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মানহানির মামলা করব। অন্য একটি টুইটে তিনি লিখেছিলেন, করোনা মহামারীর সময় অসমে সময় খুব কমই পিপিই কিট লেগেছিল। তাঁর স্ত্রী কোনও লেনদেন ছাড়াই রাজ্য সরকারকে ১৫০০ পিপিই কিট দান করেছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেসিবি ইন্ডাস্ট্রিজ দ্বারা সামাজিক দায়বদ্ধতা হিসাবে করোনার সময় পিপিই কিটগুলি সরবরাহ করার জন্য তৎকালীন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের পরিচালক ডঃ লক্ষ্মণনের কাছ থেকে একটি প্রশংসাসূচক চিঠিও পেয়েছিলেন তারা। সিসোদিয়া একটি টুইট বার্তায় লিখেছিলেন, ২০২০২ সালের ১৮ মার্চ এনএইচএম থেকে জেসিবি ইন্ডাস্ট্রিজের কাছে ৯৯০ টাকা হারে ৫০০০ কিট সরবরাহ করেছিলেন।
শনিবার নয়াদিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে দিল্লির ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বলেছিলেন, অসম সরকার অন্যান্য কোম্পানির কাছ থেকে প্রতি পিস ৬০০ টাকায় পিপিই কিট কিনেছিল। বিশ্বশর্মা তাঁর স্ত্রী এবং ছেলের ব্যবসায়িক অংশীদারদের ফার্মগুলিকে ৯৯০ টাকার বিনিময়ে জরুরি সরবরাহের আদেশ দিয়েছিলেন জরুরি পরিস্থিতির সুবিধা নিয়ে।
সিসোদিয়াকে নিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এনএইচএম আদেশ জারি করলেও, সংস্থাটি কোনও বিল পেশ করেনি এবং কিটগুলি সরকারকে দান করেছিল। তিনি টুইট করে বলেন, "এক পয়সাও লেনদেন হয়নি, দুর্নীতি কোথায়? তখন তীব্র ঘাটতির কারণে আপনার দিল্লি সরকার-সহ প্রতিটি সরকার পিপিই কিটের টেন্ডার মকুব করেছে।
এর আগে অসম সরকারের মুখপাত্র পীযূষ হাজারিকা মহামারী চলাকালীন পিপিই কিট সরবরাহে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ''পিপিই কিট সরবরাহে কোনও কেলেঙ্কারি হয়নি। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করার পরিবর্তে প্রমাণ থাকলে দুটি সংস্থা কেন আদালতে যাচ্ছে না?" তিনি প্রশ্ন তোলেন।
বিরোধী কংগ্রেস, রায়জোর দল এবং অসম জাতীয় পরিষদ (এজেপি) আলাদাভাবে সিবিআই, ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার দ্বারা এই ঘটনায় অনিয়মের বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি করেছিল। রাজ্যের আগের বিজেপি সরকারে যখন হিমন্ত বিশ্বশর্মা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন এই অভিযোগ ওঠে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications