ইসলামিক মৌলবাদীদের কেন্দ্রস্থল রাজ্য! বিস্ফোরক অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা
দেশের ইসলামিক মৌলবাদীদের ( islamic fundamentalist) কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে অসম (Assam) । এদিন এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (himanta biswa sharma)। বাংলাদেশ ভিত্তি
দেশের ইসলামিক মৌলবাদীদের ( islamic fundamentalist) কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে অসম (Assam) । এদিন এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (himanta biswa sharma)। বাংলাদেশ ভিত্তিক মৌলবাদী গোষ্ঠীর অন্তত পাঁচটি মডিউলের কাজ কর্মের যে হদিশ অসম থেকে পাওয়া গিয়েছে, তার থেকেই তিনি এই মন্তব্য করছেন বলে জানিয়েছেন।

পাঁচটি মডিউল ধ্বংস করেছে অসম পুলিশ
মুখ্যমন্ত্রী এদিন গুয়াহাটিতে করা সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, এবছরের মার্চ মাস থেকে অসম পুলিশ বাংলাদেশের আনসারুল্লা বাংলাদেশ টিমের (ABT) অন্তত পাঁচটি মডিউল ধ্বংস করেছে। প্রসঙ্গত আনসারুল্লা বাংলাদেশ টিম বাংলাদেশের একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন। এই সংগঠনটি ভারতীয় উপ মহাদেশে আল কায়দার একটি সহযোগী গোষ্ঠী হিসেবেও পরিচিত। এই গোষ্ঠী অসম-সহ ভারতে জিহাদ ছড়িয়ে দিতে চায়। অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অসম পুলিশ ইতিমধ্যেই বরপেটা, বনগাইগাঁও, মরিগাঁও এবং গুয়াহাটির হাতিগাঁও এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও এক বাংলাদেশি নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। মহঃ সুমন নামে ওই ব্যক্তি এক অভিযুক্ত।

অসম জুড়েই কাজ করছে আরও মডিউল
মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা এই পাঁচটি মডিউল ধ্বংস করে দেওয়া গেলেও, রাজ্য জুড়েই কাজ করে চলেছে আরও ছোট ছোট মডিউল। তার থেকেই অনুমান করা যায়, অসম ইসলামিক মৌলবাদী জঙ্গিদের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অসম পুলিশ আরও পাঁচ বাংলাদেশিকে সনাক্ত করেছে, যারা অবৈধভাবে অসমে ঢুকেছিল এবং পরবর্তী সময়ে সাধারণের মধ্যে মিশে গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশি নাগরিকরা স্থানীয় যুবকএবং শিশুদের প্ররোচনা দিচ্ছে।

মাদ্রাসা ও মসজিদকে আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার
অসমের মুখ্যমন্ত্রী্র অভিযোগ ষড়যন্ত্রকারীরা রাজ্যের কিছু মসজিদ ও মাদ্রাসাকে আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করছে। ইতিমধ্যেই অসম পুলিশ মরিগাঁওতে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে এবং মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়াহয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে অসমের বেসরকারি মাদ্রাসাগুলির ওপরেও নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। কেননা এই মাদ্রাসাগুলির মধ্যে অনেকগুলিই জিহাদিদের প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠতে পারে।

অসমে প্রবেশে পশ্চিমবঙ্গকে ব্যবহার
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, মহঃ সুমন নামে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে ২০১৮-তে পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে অসমে গিয়ে বরপেটায় বসবাস শুরু করে। সেখানে সে একটি বেসরকারিইসলামিক অ্যাকাডেমিতে আরবি শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি সে বরপেটার হাউলির একটি মসজিদের ইমাম হিসেবেও যোগ দেয়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুলিশ ওই ব্যক্তির কাছ থেকে ইসলামিক জিহাদি
সাহিত্য উদ্ধার করেছে। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে শুধু বরপেটাতেই নয়, বঙ্গাইগাঁও এবং মরিগাঁও মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য।












Click it and Unblock the Notifications