এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না, অশান্তির মাঝেই মিজোরামকে হুঙ্কার হিমন্ত বিশ্বশর্মার
এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না, অশান্তির মাঝেই মিজোরামকে হুঙ্কার হিমন্ত বিশ্বশর্মার
গতকাল রাত থেকেউ উত্তাল অসম-মিজোরাম সীমানা। তার মধ্যেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মন্তব্য নতুন করে উত্তাপ বাড়িয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি তিনি শান্তি চান কিন্তু এক ইঞ্জি জমি ছাড়ব না। হিমন্ত বিশ্বশর্মার এই মন্তব্য নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে। গতকাল রাত থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে অসম-মিজোরাম সীমানায়। প্রবল সংঘাতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।

উত্তাল অসম-মিজোরাম
অসম পুলিশ নির্মম আচরণ করছে এই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল মিজোরাম সীমানা। গুলি, গোলা পর্যন্ত চলেছে সেখানে। মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজনের। মিজোরামের বাসিন্দাদের অভিযোগ গত এক মাস ধরে অসম পুলিশ সীমান্তে নির্মম আচরণ করছে তা সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তারপরেই তাঁরা প্রতিরোধ তৈরি করেন। সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অসমের ৫ পুলিশকর্মী। অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছে। অসম পুলিশের অভিযোগ লাইট গান ব্যবহার করে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। মিজোরামের পাল্টা অভিযোগ, অসম পুলিশ সীমানা পেরিয়ে তাঁদের চেকপোস্ট দখল করতে এসেছিল।

অমিত শাহের উপস্থিতিতেই অশান্তি
অসম ও মিজোরামের মধ্যে যে বনাঞ্চল নিয়ে সংঘাত তা নিয়ে অমিত শাহ দুই রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। অসম এবং মিজোরাম দুই রাজ্যই নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। অসম পুলিশের এই আচরণে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মিজোরাম সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিচেই এই ঘটনা নিজে উত্তাল গোটা দেশ। একের পর এক টুইচে কড়া নিন্দা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেেসর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মার হুঙ্কার
এই উত্তেজনার মাঝেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা আবার পাল্টা হুঙ্কার দিয়েছেন। তিনি শান্তি চাই বলেও বলেছেন অসমের এক ইঞ্চি জমি ছাড়বেন না। তাতে উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। অসম সরকার ইতিমধ্যে পুলিশের মৃত্যুর ঘটনায় তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে। তিনদিন অসমে জাতিয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। ইতিমধ্যেই শিলচর হাসপাতালে আহতদের দেখে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কী নিয়ে বিবাদ
অসম এবং মিজোরামের সীমানায় বনাঞ্চলের দখলদারি নিয়ে দুই রাজ্যের বিবাদ। এটা নতুন বিবাদ নয় বহু দিন ধরেই এই িববাদ চলে আসছে। হিমন্ত বিশ্বশর্মার দাবি তাঁদের সংঘাত মিজোরামের মানুষের সঙ্গে নয়। মিজোরামের জমিও তাঁরা দখল করতে চান না। অসম সরকার দীর্ঘদিন ধরে যে বনাঞ্চল রক্ষা করে আসছেন সেটা কিছুতেই বেহাত হতে দেবে না। জোর করে কেউ দখল করতে এলে আবার প্রতিহত করা হবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications