জম্মু-কাশ্মীরে পিএমও আধিকারিক সেজে প্রতারণা, জেরায় উঠে এলে চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে কিরণভাই প্যাটেলকে গ্রেফতারের পরে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।
প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে কিরণভাই প্যাটেলকে গ্রেফতারের পরে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন ধৃত ব্যক্তি। ২ মার্চ কিরণ ভাই প্যাটেল জম্মু ও কাশ্মীর থেকে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টা আগে তার তিন সহযোগী পালিয়ে গিয়েছিল।
গুজরাতের বাসিন্দা কিরণ ভাই প্যাটেলের নেতৃত্বে আরও তিনজন ছিলেন এই টিমে। মার্চ মাসের ২ তারিখে শ্রীনগর থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ওই ব্যক্তি কাশ্মীর থেকে পালিয়ে যেতে পারে আশঙ্কা করেই জাল গুটিয়েছিল পুলিশ। তাঁর সঙ্গীরা পালিয়ে গিয়েছিলেন।

অভিযোগ, ওই ব্যক্তি জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের কাছ থেকে জেড-প্লাস নিরাপত্তা-সহ একটি বুলেটপ্রুফ মাহিন্দ্রা স্করপিও এসইউভি, পাঁচতারা হোটেলে থাকার সুবিধা নিয়েছিলেন। অভিযুক্ত নিজেকে পরিচয় দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কৌশল ও প্রচারণার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক হিসেবে।
প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আধিকারিকের ছদ্মবেশে থাকা কিরণভাই প্যাটেলকে ২ মার্চ গ্রেফতার করে। কিন্তু পুলিশ তার গ্রেফতারের বিষয়টি গোপন রাখে। বৃহস্পতিবার একজন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর পরে তার গ্রেফতারের বিষয়টি সামনে আসে।
সূত্রের খবর, গুজরাতের অমিত হিতেশ পান্ডিয়া, জয় সীতাপারা ও রাজস্থানের ত্রিলোক সিংও শ্রীনগরের একটি পাঁচতারা হোটেলে কিরণভাই প্যাটেলের সঙ্গে ছিলেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আধিকারিক বলে ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন। কিরণভাই প্যাটেলের আইনজীবী রেহান গওহর এই ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন।

আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর সঙ্গে গুজরাত থেকে আরও দু'জন লোক ছিল। পুলিশ ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করেছে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাস থেকে এই 'পিএমও টিম' কাশ্মীর সফর করছে বলে জানা গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর সিআইডির একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২ মার্চ প্যাটেল গ্রেফতার হন।
কিরণভাই প্যাটলের গ্রেফতারের কয়েক ঘন্টা আগে তার তিন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সূত্রের খবর, কিরণভাই প্যাটেল সন্দেহের তালিকায় পড়েন, যখন জম্মু ও কাশ্মীরের এক সিনিয়র আধিকারিক তাঁকে তাঁর সঙ্গে বড়গাম জেলায় একটি কর্মসূচিতে যেতে বলেছিলেন।
তারপরই সিআইডির এক শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই অফিসার। সিআইডি এরপর প্রতারককে আটক করে এবং দীর্ঘ জেরার পর তাঁকে গ্রেফতার করে। ছদ্মবেশী কিরণভাই প্যাটেল প্রশসানিক আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন এবং এমনকি নিয়ন্ত্রণরেখার নিকটবর্তী অঞ্চলে পরিদর্শন করেছেন এবং উরি সেক্টরে সেনাদের সঙ্গে তাঁর ছবিও পোস্ট করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications