কেন্দ্রকে বিচারক থেকে কৃষক সবার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে, প্রশ্ন তুললেন কেজরিওয়াল
বিচারক, সুপ্রিম কোর্ট, রাজ্য সরকার, কৃষক ব্যবসায়ী সবার সঙ্গে ঝগড়া করছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের সরকার এভাবে সবার সঙ্গে ঝগড়া করলে দেশ এগোবে না।
কেন্দ্রীয় সরকারকে এখন লড়াই করতে হচ্ছে সবার সঙ্গে। কৃষক থেকে ব্যবসায়ী, এমনকী বিচারক-সহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে লড়তে হচ্ছে। শনিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই মর্মে নিশানা করেন মোদী সরকারকে।
সুপ্রিম কোর্ট ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে এখন বিচারকদের নিয়োগে কলেজিয়াম পদ্ধতি নিয়ে লড়াই চলছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কে দি্লির মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ না করতে।

তিনি একটি টুইটে সম্প্রতি প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় সরকার সবার সঙ্গে লড়াই করে কেন, বিচারক, সুপ্রিম কোর্ট, রাজ্য সরকার, কৃষক ব্যবসায়ী সবার সঙ্গে ঝগড়া করছে। কেন্দ্রের সরকার এভাবে সবার সঙ্গে ঝগড়া করলে দেশ এগোবে না। নিজের কাজ করুন এবং অন্যকে তাদের কাজ করতে দিন। দয়া করে অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ করবেন না।
দিল্লিতে আম আদমি পার্টির সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের নিয়োগ করা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সঙ্গে একটি লড়াই প্রথম থেকে চলে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে কেন্দ্র ইডিকে লাগিয়ে রেখে দিয়েছে বিরোধী দলগুলির পিছনে। সম্প্রতি দিল্লিতে মদ কেলেঙ্কারির মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। কেন্দ্র সরকারের পতন ঘটাতে এবং বিধায়কদের কেনার জন্য সংস্থাকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার এর মধ্যে আবার কেন্দ্রীয় সরকরারে আইনকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছে। জিএনসিটিডি আইন প্রয়োগ করে লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে আরও ক্ষমতা প্রদানের চেষ্টা করে কেন্দ্র। সেই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে আম আদমি পার্টি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। শীর্ষ আদালত এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এর আগে কেন্দ্রের জিএনসিটিডি সংশোধনী আইনের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর দল আম আদমি পার্টি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে এই আইনটিতে আসাংবিধানিক ঘোষণা করার দাবি জানান। এবং াইনটি বাতিলের আবেদন জানান।
তিনি বলেন, সংবিধান ও আইন বলে, একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মন্ত্রী পরিষদের পরামর্শ ও সাহায্যের জন্য নিয়োগ করা হয়। কিন্তু কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তা করে চলেছে সরকারের কাজে নজরদারি করার জন্য। তার ফলে সরকারের সঙ্গে এলজির সংঘাত তৈরি হচ্ছে। সংঘাত তৈরি হচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যেও। কেন্দ্র শুধু দিল্লির ক্ষেত্রে নয়, অন্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। ফলে রাজ্য ও কেন্দ্র সংঘাত বেড়েই চলেছে দেশজুড়ে।












Click it and Unblock the Notifications